নিজস্ব প্রতিনিধি
কিশোরগঞ্জে ছাত্রলীগের এক নেতাকে বেঁধে শারীরিক নির্যাতন ও বিদ্যুতের শক দেওয়ার অভিযোগে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় ওঠে।
অভিযোগ উঠেছে, জেলা ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক মোল্লা পিয়াল মাহমুদকে প্রকাশ্যে বেঁধে মারধর ও নির্যাতন করা হয়। এ সময় তাকে ইলেকট্রিক শক দেওয়ার ঘটনাও ঘটে বলে জানা গেছে।
ভুক্তভোগীর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, স্থানীয় জামায়াত ও বিএনপির একটি গ্রুপের লোকজন এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত। তবে এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
এ ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। তারা দ্রুত জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
আইনজীবী ও সচেতন মহল বলছেন, এ ধরনের ঘটনা দেশের প্রচলিত আইনে গুরুতর ফৌজদারি অপরাধ। কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তার বিচার আদালতেই হওয়া উচিত। কোনোভাবেই আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া গ্রহণযোগ্য নয়।
এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং ভিডিও যাচাই করে জড়িতদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
