কক্সবাজার প্রতিনিধি : প্রবীণ ও সিনিয়র নেতাদের সরাসরি অনুপস্থিতিতেও কক্সবাজারের সীমান্তবর্তী জনপদ উখিয়ায় নতুন রাজনৈতিক বার্তা দিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। আজ শনিবার (২৫ জুলাই, ২০২৬) উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নে স্থানীয় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের উদ্যোগে প্রকাশ্যে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। কোনো রাজনৈতিক অভিভাবকের উপস্থিতি ছাড়াই অত্যন্ত সুসংগঠিত ও ভয়ডরহীনভাবে এ কর্মসূচি সম্পন্ন করেন তৃণমূলের তরুণ নেতাকর্মীরা।
উত্তপ্ত রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে আয়োজিত এই সভাটি স্থানীয় রাজনীতিতে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি করেছে। সভায় উপস্থিত যুব ও ছাত্রনেতারা আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে বীরের বেশে দেশে ফিরিয়ে আনার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। সকল বাধা-বিপত্তি উপেক্ষা করে একত্রিত হওয়া এসব তরুণ রাজপথের সৈনিকেরা সংগঠনকে পুনরুজ্জীবিত করার বার্তা দিয়ে একযোগে শপথ নেন। তাঁদের মূল বক্তব্য ছিল—মাঠপর্যায়ে সংগঠন শক্তিশালী করার মাধ্যমেই নেত্রীর প্রত্যাবর্তন সুগম করা হবে।
তৃণমূলের এই সাহসী তৎপরতাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় এবং আঞ্চলিক সিনিয়র নেতৃবৃন্দ। তরুণদের এই সাহসিকতায় মুগ্ধতা প্রকাশ করে দলের এক জ্যেষ্ঠ নেতা মন্তব্য করেন, “এই সাহসের ভেতর এক ডায়নামিক নেতৃত্বের জন্ম দেখতে পাচ্ছি। প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও তরুণদের এই অগ্রযাত্রা প্রমাণ করে দলের বিজয় অনিবার্য। ইনশাআল্লাহ, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই আমরা আমাদের নেত্রীকে দেশে ফিরিয়ে আনবো।”
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, উখিয়ার পালংখালীর এই কর্মসূচি আপাতদৃষ্টিতে কেবল একটি স্থানীয় আলোচনা সভা মনে হলেও, এর রাজনৈতিক প্রভাব বেশ সুদূরপ্রসারী। সিনিয়র নেতাদের আড়ালে রেখে তৃণমূলের তরুণদের সামনে এনে এমন সুসংগঠিত কর্মসূচি প্রমাণ করে যে, মাঠপর্যায়ে নতুন শক্তি ও ভিন্ন কৌশল নিয়ে পুনর্গঠিত হচ্ছে সংগঠনটি।
