বিনোদন ডেস্ক: বাংলা সংস্কৃতির বৈচিত্রপূর্ণ ধারাগুলো আরও সৃজনশীল ও সময়োপযোগী করে পরিবেশন করা, একটি সমজদার শ্রোতা সমাজ গড়ে তোলার লক্ষে সুরের খেয়ার আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করলো ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ এ। আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ দ্য ঢাকা অডিটরিয়ামে জমকালো অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠানটি তাদের অনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করলো। উক্ত অনুষ্ঠানে অতিথির আসন অলংকৃত করেছিলেন, এস এম হায়াতুল্লাহ, ড. প্রিয়াংকা গোপ ও মনজুরুল ইসলাম খান।

সুরের খেয়ার অঙ্গীকার নতুন নতুন উদ্যোগের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মকে হাজার বছরের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয়া, সর্বোপরি শিল্পক্ষেত্রে শিল্পীরা যেন পরস্পরের সহযোগিতায় এগিয়ে যেতে পারে, সৌন্দর্য-সম্প্রীতির একটি ইতিবাচক সমাজ বিনির্মাণে সুরের খেয়া কাজ করে যাতে চায়।
স্বল্প সময়ের এই যাত্রায় সংগীত, আবৃত্তি, নৃত্য, বাদ্যযন্ত্রসহ সংস্কৃতির প্রতিটি শাখায় কাজ করেছে সুরের খেয়া। বিশ্বাস, সম্মিলিত প্রচেষ্টা, ভালোবাসা ও নিষ্ঠায় সুরের খেয়া হবে সুর-শিল্প ও শিল্পীর মিলনস্থল।
এই প্রত্যয়ে নতুন কুড়ি ২০২৫ এ নজরুল সংগীত বিভাগে দ্বিতীয় স্থান অর্জনকারী শ্রেয়া রায়কে নিয়ে ‘গুরু-শিষ্য পম্পরা’ ছিলো এই আয়োজনের মূল প্রতিপাদ্য।
‘গুরু-শিষ্য পরম্পরা’ শীর্ষক সংগীত আসনে গান পরিবেশন করেন শিষ্য শ্রেয়া রায় এবং তার দুই গুরু বিজন চন্দ্র মিস্ত্রী ও সঞ্জয় হালদার। সংগীত আয়োজনে ছিলেন পল্লব সান্যাল ও রবিন্স চৌধুরী। এছাড়া সংগীত পরিবেশন করেন সংগীতশিল্পী নাদিয়া আরেফির শাওন ও তাপসী রায়।
বাংলা সংগীতের প্রতি ভালোবাসার প্রামাণিক ‘সুরের খেয়া’র এই প্রচেষ্টা সফল ও সুদৃঢ় করে বাংলা সুস্থ ধারার সংগীতের ভেলায় ভেসে বহুদূর যেতে চায়।
