যশোরের বেনাপোল বন্দর থানা এলাকায় নিজ দলেরই এক কর্মীর স্ত্রীকে ঘরে ঢুকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে হাতেনাতে আটক হয়েছেন মো. শফিকুল ইসলাম (৪৫) নামের এক জামায়াত নেতা। ঘটনার পর ভুক্তভোগী ও স্থানীয়রা একত্রিত হয়ে তাঁকে আটক করে থানা পুলিশের হাতে সোপর্দ করে।
আজ শনিবার (২৫ জুলাই, ২০২৬) আটককৃত আসামিকে পুলিশি হেফাজতে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
পুলিশ ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত শফিকুল ইসলাম স্থানীয় বেনাপোল পোর্ট থানার এক নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতে ইসলামীর আমিরের দায়িত্বে রয়েছেন। ভুক্তভোগী নারীও একই রাজনৈতিক সংগঠনের সমর্থক ও স্থানীয় এক জামায়াত কর্মীর স্ত্রী। অভিযোগ অনুযায়ী, গত রাতে ভুক্তভোগীর স্বামী বাড়িতে না থাকার সুযোগ নিয়ে জামায়াত নেতা শফিকুল জোরপূর্বক তাঁদের ঘরে ঢুকে পড়েন। এরপর তিনি গৃহবধূকে অনৈতিক প্রস্তাব দেন এবং একপর্যায়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালান।
ভুক্তভোগী গৃহবধূর আত্মচিৎকারে আশেপাশের প্রতিবেশীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন এবং অভিযুক্ত জামায়াত নেতা শফিকুলকে ঘর থেকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন। এ সময় উপস্থিত ক্ষুব্ধ জনতা তাঁকে অবরুদ্ধ করে বেনাপোল পোর্ট থানায় খবর দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে তাঁকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।
বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে বেনাপোল পোর্ট থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর আসামিকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে এবং আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী তাকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। অপরাধীর রাজনৈতিক পরিচয় যাই হোক না কেন, আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
