কলাম লেখক: সৈয়দা রাজিয়া মোস্তফা বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় মহিলা আওয়ামী লীগের সংগ্রামী সাংগঠনিক সম্পাদক ও বিশিষ্ট সমাজ সেবিকা
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ করে পদ্মা সেতু নির্মাণ করেছেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের এই সেতু তাঁর সুযোগ্য কন্যার দূরদর্শী নেতৃত্বে বৈশ্বিক ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে আজ বাস্তবতা। এটি ছিল জাতির এক গৌরবোজ্জ্বল মেগা প্রকল্প জনগণের আত্মমর্যাদার প্রতীক।
কিন্তু সম্প্রতি সেতু এলাকার নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। লেখকের দাবি অনুযায়ী, পদ্মা সেতু সংলগ্ন এলাকায় মাটি কাটা ও পরিবহন নিয়ে অনিয়ম চলছে। তাঁর অভিযোগ, স্থানীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রিয়াদ চৌধুরী এবং কয়েকজন সাবেক ছাত্রদল নেতা প্রশাসনিক সহায়তায় দীর্ঘদিন ধরে বিপুল পরিমাণ মাটি সরিয়ে নিচ্ছেন। লেখক ঘটনাটিকে “জাতীয় স্থাপনার প্রতি হুমকি” হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
জাতীয় স্থাপনার নিরাপত্তা প্রশ্নবিদ্ধ হলে জননিরাপত্তা নিয়েও সংশয় তৈরি হয়—এমন মন্তব্য করে লেখক দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দিকেও দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। তিনি জুলাই পরবর্তী সময়ের সহিংসতা, চুরি-ছিনতাই ও নারী নির্যাতনের উদাহরণ টেনে বলেন, “সন্ত্রাস ও উগ্রবাদী তৎপরতার অভয়ারণ্যে পরিণত হচ্ছে কিনা এটা ভাবার সময় এসেছে।”
একই প্রসঙ্গে লেখক হবিগঞ্জের মাধবপুর থানা এলাকায় এক নারীর ওপর মধ্যযুগীয় নির্যাতনের অভিযোগ তুলেছেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, জমি দখলের প্রতিবাদ ও মানবন্ধন করার অপরাধে বিএনপির স্থানীয় নেতার বিরুদ্ধে এক ভদ্রমহিলাকে গাছের নিচে বেঁধে শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ এসেছে।
পদ্মা সেতু কেবল একটি সেতু নয়, এটি জাতির আবেগ ও অগ্রযাত্রার প্রতীক। এই প্রতীকের নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষায় কঠোর পদক্ষেপ প্রয়োজন। দেশের সাধারণ মানুষ বর্তমান সংকট থেকে উত্তরণে শেখ হাসিনার নেতৃত্বের দিকেই তাকিয়ে আছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
