নিজস্ব প্রতিনিধি
সংসদ অধিবেশনের প্রথম দিনই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। মুক্তিযুদ্ধের বীরদের প্রতি দায়বদ্ধতা প্রকাশ করলেও ফজলুর রহমান সংসদে যুদ্ধাপরাধীদের শোক প্রস্তাবে সমর্থন জানিয়েছেন। প্রস্তাবে মতিউর রহমান নিজামী, সালাহউদ্দিন কাদের, আলী আহসান মুজাহিদ, দেলোয়ার হোসাইন সাঈদীসহ অন্যান্যদের নাম অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পরই পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়
দৈনিক সমকালের সাংবাদিক আহমেদ লিখেছেন, শোক প্রস্তাব তোলার সময় ফজলুর রহমান নিজ আসন ছেড়ে সংরক্ষিত মহিলা আসনের খালি সিটে বসে প্রস্তাব সমর্থন করেন। মাইকের সমস্যা থাকায় এমন অবস্থান নেওয়ার বিষয়টি সাংবাদিকদের নজরে পড়ে। এই ঘটনায় আবারো স্পষ্ট হলো, মানুষ ফেসবুক, ভাষণমঞ্চ বা টকশোতে যেভাবে প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করে, বাস্তব কর্মে তা সবসময় একই রকম হয় না।
ঘটনাটি দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ এবং যুদ্ধাপরাধীদের বিষয়ে জনমতের সঙ্গে রাজনৈতিক আচরণের এই বৈপরীত্য সমাজ ও রাজনীতির মধ্যেও তীব্র আলোচনা তৈরি করেছে।
অনেকে মনে করছেন, ফজলুর রহমানের বক্তব্য ও টকশোতে মুক্তিযুদ্ধের প্রতি দায়বদ্ধতা শুনলে মনে হয়, ‘এই বুঝি দেশ রাজাকারমুক্ত হলো।’ কিন্তু বাস্তবে হালুয়া রুটির ভাগ পেলে সবাই ঠান্ডা এটাই ঘটনার মূল বার্তা।
