নিজস্ব প্রতিবেদন : যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে যেতে ইচ্ছুক বাংলাদেশি ভিসা আবেদনকারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ও নতুন নির্দেশনা জারি করেছে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস। চিকিৎসাজনিত ভ্রমণ, সংশ্লিষ্ট ব্যয় এবং যাতায়াত খরচ বহনের সক্ষমতা নিশ্চিত করতেই এই শর্ত প্রদান করা হয়েছে।
আজ শনিবার (২৫ জুলাই, ২০২৬) মার্কিন দূতাবাসের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
দূতাবাসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, চিকিৎসার উদ্দেশ্যে বি-২ (B-2) ক্যাটাগরির ভিসা আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে চিকিৎসার খরচসহ যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়া-আসা এবং সেখানে অবস্থানকালীন যাবতীয় ব্যয় বহনের পর্যাপ্ত আর্থিক সক্ষমতার স্পষ্ট প্রমাণ পেশ করতে হবে।
নির্দেশনায় বলা হয়, কনস্যুলার কর্মকর্তারা প্রতিটি আবেদন অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে পৃথকভাবে মূল্যায়ন করেন। এতে নিশ্চিত হতে চাওয়া হয় যে, আবেদনকারীর পরিকল্পিত চিকিৎসা বা অবস্থানের কারণে মার্কিন যুক্তরাষ্টের করদাতাদের ওপর কোনো প্রকার প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ আর্থিক বোঝা সৃষ্টি হবে না।
চিকিৎসা ভিসার ক্ষেত্রে আবেদনকারীদের যেসকল শর্ত ও নথিপত্র প্রয়োজন হবে:
- দেশি চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র: আবেদনকারীদের নিজ দেশের (বাংলাদেশের) নিবন্ধিত চিকিৎসকের দেওয়া ব্যবস্থাপত্র জমা দিতে হবে, যেখানে কেন বা কী কারণে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়া প্রয়োজন—তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে।
- মার্কিন হাসপাতালের সম্মতিপত্র: যুক্তরাষ্ট্রের কোনো নিবন্ধিত চিকিৎসক বা হাসপাতালের লিখিত সম্মতিপত্র জমা দিতে হবে। সেখানে চিকিৎসা চলাকালীন সম্ভাব্য সময়সীমা এবং আনুমানিক খরচের বিস্তারিত বিবরণ থাকতে হবে।
- আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ: চিকিৎসাসংক্রান্ত সকল ব্যয়, যাতায়াত ভাড়া এবং অবস্থানকালীন জীবনের খরচ নিজের বহন করার মতো পর্যাপ্ত আর্থিক ব্যাংক ব্যালেন্স ও আয়ের প্রমাণাদি দাখিল করতে হবে।
ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস সতর্ক করে জানায়, এই নিয়মাবলী কঠোরভাবে অনুসরণের মাধ্যমে প্রকৃত চিকিৎসাপ্রার্থীরা যেন ঝামেলাহীনভাবে ভিসা সার্ভিস পেতে পারেন—সেই লক্ষ্যে এই নির্দেশনা কার্যকর করা হয়েছে।
