নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজধানীর ইসিবি চত্বরে অবস্থিত জনপ্রিয় ইউটিউবার ও কন্টেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের ‘ব্রাউনফিশ স্টুডিও’-তে সন্ত্রাসী হামলা, ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় চাঁদাবাজ চক্রের চাহিদামতো চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোর নির্মম জের ধরে শনিবার রাতে নিউ গিনি প্রোপার্টিজ অফিসের ভেতরের স্টুডিওটিতে এই ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হয়।
ঘটনার পর রোববার গভীর রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও বার্তা প্রকাশ করে নিজের স্টুডিওর করুণ ধ্বংসস্তূপের চিত্র ভক্তদের সামনে তুলে ধরে ক্ষোভ প্রকাশ করেন সালমান মুক্তadir।
দেশের দেওয়ানি সংক্রান্ত অপরাধ দমন আইন ও বাংলাদেশ দণ্ডবিধির সুনির্দিষ্ট আইনি বিধান অনুযায়ী যত্রতত্র চাঁদা দাবি, অবৈধ অনুপ্রবেশ ও ব্যক্তিগত সম্পত্তি ভাঙচুর মারাত্মক অপরাধ। নাগরিকদের জানমালের সার্বিক নিরাপত্তা রক্ষায় অপরাধীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে আইনি বিচারে সোপর্দ করা বাধ্যতামূলক।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ এবং স্থানীয় ক্যান্টনমেন্ট থানা যৌথভাবে ক্ষতিগ্রস্ত স্টুডিও পরিদর্শনের পাশাপাশি সিসিটিভি ফুটেজ ও পারিপার্শ্বিক তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহের কাজ তদারকি করছে। হামলাকারী সন্ত্রাসীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনানুগ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণে বিশেষ তদন্ত কার্যক্রম বলবৎ রয়েছে।
ঘটনার বর্ণনা দিয়ে ইউটিউবার সালমান মুক্তাদির বলেন, “চাঁদা না দেওয়ায় দুর্বৃত্তরা অন্যায়ভাবে ভেতরে ঢুকে মূল্যবান সরঞ্জাম ও সিসিটিভি ক্যামেরা ভাঙচুর করে তছনছ করেছে।”
বিক্ষুব্ধ অনুসারী ও সাধারণ নেটিজেনরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত এই চাঁদাবাজ সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর কঠোর বিচার নিশ্চিতের দাবি জানিয়ে চরম উষ্মা প্রকাশ করেছেন।
প্রকাশিত ভিডিওতে স্টুডিওর আসবাবপত্র, ক্যামেরা সামগ্রী তছনছ হওয়া এবং মহামূল্যবান ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি দুর্বৃত্তদের হাত ধরে লুটপাট হয়ে যাওয়ার চিহ্ন স্পষ্ট দৃশ্যমান দেখা গেছে।
তবে এই হামলার ঘটনায় জড়িত সন্ত্রাসীদের রাজনৈতিক পরিচয় ও বিএনপি কর্মীদের ওপর আনীত সুনির্দিষ্ট অভিযোগের বিষয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের পক্ষ থেকে আলাদা প্রাতিষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি। [DETAIL NEEDED: ব্রাউনফিশ স্টুডিওতে হামলা ও চাঁদাবাজির ঘটনায় দলীয় নেতাকর্মীদের সম্পৃক্ততার অভিযোগ নিয়ে বিএনপি বা স্থানীয় অঙ্গসংগঠনের কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি]।
দেশে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের স্বাধীন কাজের পরিবেশ বিনষ্ট করে এমন ভয়ীতিপ্রদর্শন ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড রোধে শিল্পীরা এখন আইনি সুরাহার আশায় মুখ চেয়ে রয়েছেন।
ক্যান্টনমেন্ট থানা পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটির বিস্তারিত অনুসন্ধান শেষে মামলা দায়েরের মাধ্যমে অবিলম্বে অভিযুক্ত সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার ও খোয়া যাওয়া মালামাল উদ্ধারে অভিযান চালানো হবে।
