জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন এবং ‘ভিত্তিহীন’ হত্যা মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও তীব্র নিন্দা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। দলটির পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে এই ঘটনাকে মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন এবং গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির পরিপন্থী হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।
আওয়ামী লীগের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী দেশের প্রথম নারী স্পিকার হিসেবে অত্যন্ত দক্ষতা ও পরিশীলিতভাবে সংবিধানসম্মত পদের মর্যাদা রক্ষা করেছেন। একজন মেধাবী ও মানবিক গুণসম্পন্ন নারী রাজনীতিবিদের প্রতি এমন অমানবিক আচরণ আইনের শাসনের পরিপন্থী। সাংবিধানিক পদে দায়িত্ব পালনকারী একজন ব্যক্তিত্বের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক এই পদক্ষেপ দেশের ইতিহাসে একটি নিকৃষ্ট উদাহরণ হয়ে থাকবে।
বিবৃতিতে দলটির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য এই ধরনের মিথ্যা মামলা ও নিপীড়নমূলক কর্মকাণ্ড দেশের গণতান্ত্রিক পরিবেশকে বিপন্ন করছে। এটি কেবল ব্যক্তিগত আক্রমণ নয়, বরং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানসমূহের মর্যাদার ওপর চরম আঘাত। আওয়ামী লীগ অবিলম্বে ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর নিঃশর্ত মুক্তি এবং তাঁর ওপর হওয়া অন্যায়ের বিচার দাবি করেছে।
একই সাথে আওয়ামী লীগ জাতীয় নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত সকল ‘হয়রানিমূলক’ মামলা প্রত্যাহার এবং রাজবন্দিদের মুক্তির দাবি জানিয়েছে। দলটির মতে, আইনের অপব্যবহার বন্ধ করে একটি সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনা ছাড়া দেশের বর্তমান সংকট উত্তরণ সম্ভব নয়।
