যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাংলাদেশি আমেরিকান ইমিগ্রান্টদের নিয়ে জ্যাকসন হাইটসে অনুষ্ঠিত হয়েছে ইমিগ্রান্টস ইন্টারন্যাশনাল ইনক-এর উদ্যোগে ঈদুল ফিতর পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময় ও আলোচনা সভা। গত ২২ মার্চ রবিবার সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে নবান্ন রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড পার্টি হলে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রবাসী বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণে প্রাণবন্ত ও আন্তরিক পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
গত ২০ মার্চ পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপনের পর এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে কমিউনিটির সদস্যরা একে অপরের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। একই সঙ্গে প্রবাসে বাংলাদেশি ইমিগ্রান্টদের পারস্পরিক সম্পর্ক, ঐক্য, সহযোগিতা এবং ভবিষ্যৎ কার্যক্রম নিয়ে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইমিগ্রান্টস ইন্টারন্যাশনাল ইনক-এর চেয়ারপারসন এটর্ণী মঈন চৌধুরী, সংস্থার স্বেচ্ছাসেবক, শুভানুধ্যায়ী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বাংলাদেশি ইমিগ্রান্টরা। বক্তারা বলেন, একটি নন-প্রফিট বেসরকারি সংস্থা হিসেবে ইমিগ্রান্টস ইন্টারন্যাশনাল ইনক অভিবাসীদের অধিকার, কল্যাণ, সামাজিক সম্পৃক্ততা এবং পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারে কাজ করে যাচ্ছে।
বক্তারা আরও বলেন, ঈদ শুধু আনন্দের উৎসব নয়, এটি পারস্পরিক সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ববোধ ও সামাজিক বন্ধন দৃঢ় করারও একটি গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ। সেই ভাবনা থেকেই ঈদুল ফিতর পরবর্তী এই আয়োজন কমিউনিটির মানুষের মধ্যে সম্প্রীতি ও ঐক্যের বার্তা আরও শক্তিশালী করেছে।
অনুষ্ঠানে আমেরিকায় বসবাসরত সকল বাংলাদেশি আমেরিকান ইমিগ্রান্টদের প্রতি ঈদের শুভেচ্ছা জানানো হয়। একে অপরের সঙ্গে কুশল বিনিময়ের পাশাপাশি প্রবাসজীবনের নানা বাস্তবতা, কমিউনিটির চ্যালেঞ্জ এবং সম্মিলিত উদ্যোগে এগিয়ে যাওয়ার প্রয়োজনীয়তা নিয়েও মতবিনিময় হয়।
সংস্থার এক্সিকিউটিভ ডাইরেক্টর তরিকুল ইসলাম মিঠু বলেন, প্রবাসে বাংলাদেশি ইমিগ্রান্টদের একটি ইতিবাচক প্ল্যাটফর্মে যুক্ত করা, তাদের মধ্যে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করা এবং সামাজিক ও মানবিক বিষয়গুলোতে একসঙ্গে কাজ করার মনোভাব তৈরি করাই এ ধরনের আয়োজনের প্রধান উদ্দেশ্য।
ইমিগ্রান্টস ইন্টারন্যাশনাল এর পরিচালক জনাব লিটু আনাম বলেন, আমরা ইমিগ্রান্টসদের জন্য কাজ করি, তাদের মাঝে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেওয়ার জন্য আজকের এই আয়োজন।
উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডিস্ট্রিক্ট লিডার মনিকা ভালদেস, আন্দ্রেস ভার্গাস সহ আরো অনেক ডিস্ট্রিক্ট লিডার।
উষ্ণতা, সৌহার্দ্য এবং অংশগ্রহণে ভরপুর এই অনুষ্ঠানটি উপস্থিত সবার কাছে এক আনন্দঘন ও স্মরণীয় মিলনমেলায় পরিণত হয়।
