যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের কুইন্সের প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রাণকেন্দ্র জ্যাকসন হাইটসে বাংলাদেশি বিজনেস এসোসিয়েশনের উদ্যোগে এক জমজমাট ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রবাসে বসবাসরত ব্যবসায়ী ও কমিউনিটি নেতাদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি মিলনমেলায় পরিণত হয়।
উক্ত মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন নিউইয়র্ক সিটির কম্পট্রোলার Mark Levine, যিনি এই অনুষ্ঠানের সহ-স্পন্সর ছিলেন। একই সাথে উপস্থিত সকল নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি কংগ্রেসওম্যান Grace Meng, কাউন্সিল মেম্বার Shekar Krishnan, কাউন্সিল মেম্বার Shahana Hanif, অ্যাসেম্বলি মেম্বার Steven Raga এবং তাদের প্রতিনিধি এবং Catalina Cruz অফিসের প্রতিনিধি ও Larinda Hooks.
ইফতার মাহফিলে জ্যাকসন হাইটস এলাকার বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক, কমিউনিটি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে রমজানের তাৎপর্য তুলে ধরে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করা হয় এবং মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া পরিচালনা করা হয়।
আয়োজকরা জানান, পবিত্র রমজান মাস প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ, সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদার করে। সেই লক্ষ্যেই প্রতিবছরের মতো এবারও বাংলাদেশি বিজনেস এসোসিয়েশন এই ইফতার মাহফিলের আয়োজন করেছে।
অনুষ্ঠানে এটর্ণী মঈন চৌধুরী বলেন, প্রবাসে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার মাধ্যমে কমিউনিটির উন্নয়ন আরও ত্বরান্বিত করা সম্ভব। এ ধরনের আয়োজন ব্যবসায়ীদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক দৃঢ় করার পাশাপাশি নতুন প্রজন্মকে কমিউনিটির সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে উৎসাহিত করে।
সদস্য সচিব ফাহাদ সোলায়মান বলেন, জ্যাকসন হাইটস বাংলাদেশি বিজনেস অ্যাসোসিয়েশন (JBBA)-এর ইফতার মাহফিলে আমাদের সাথে যোগ দেওয়ার জন্য সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ। এই আয়োজন সফলভাবে সম্পন্ন করতে যারা কনভেনিং কমিটিতে কাজ করেছেন তাদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানাই।
এছাড়াও আমার আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্যাকসন হাইটস বাংলাদেশি বিজনেস অ্যাসোসিয়েশন (JBBA)-এর সকল সদস্যদের প্রতি, যারা উত্তর আমেরিকার অন্যতম প্রাচীন ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রতি তাদের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা জানাতে এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছেন। সবশেষে কৃতজ্ঞতা জানাই সকল প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়াকে, যারা উপস্থিত থেকে তাদের সমর্থন ও সহযোগিতা প্রদান করেছেন।
ইফতারের আগে ধর্মীয় আলোচনা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। পরে উপস্থিত অতিথিরা একসঙ্গে ইফতার করেন এবং সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে সময় কাটান।
আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতেও এ ধরনের সামাজিক ও ধর্মীয় আয়োজনের মাধ্যমে প্রবাসে বাংলাদেশি কমিউনিটির ঐক্য ও সম্প্রীতি আরও সুদৃঢ় হবে।
