ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডের মূল আসামি শুটার ফয়সাল করিম মাসুদকে অবশেষে গ্রেপ্তার করেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ। এ সময় তার সহযোগী আলমগীর হোসেনকেও আটক করা হয়েছে।
রোববার (৮ মার্চ) পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার বনগাঁ এলাকা থেকে শনিবার রাতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে যে বাংলাদেশে চাঁদাবাজি ও খুনসহ একাধিক অপরাধে জড়িত দুই বাংলাদেশি নাগরিক অবৈধভাবে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে প্রবেশ করেছে। তারা বনগাঁ সীমান্ত এলাকায় আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করছিল এবং সুযোগ পেলে আবার বাংলাদেশে ফেরার পরিকল্পনা করছিল।
এসটিএফের অভিযানে গ্রেপ্তার হওয়া দুই ব্যক্তি হলেন পটুয়াখালীর বাসিন্দা রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ (৩৭) এবং ঢাকার বাসিন্দা আলমগীর হোসেন (৩৪)।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্বীকার করেছেন যে বাংলাদেশে রাজনৈতিক কর্মী শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডে তারা জড়িত ছিলেন। হত্যার পর তারা মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেন এবং পরে বিভিন্ন এলাকায় ঘোরাফেরা করে পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁ এলাকায় আশ্রয় নেন।
এ ঘটনায় ভারতের সংশ্লিষ্ট আদালতে তাদের হাজির করা হলে আদালত দুজনকে ১৪ দিনের পুলিশ হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এর আগে জানা যায়, ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান বিন হাদিকে ঢাকায় চলন্ত রিকশায় গুলি করে হত্যা করা হয়। ঘটনার পর শুটার ও তার সহযোগীরা সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালিয়ে যায় বলে তদন্তে উঠে আসে।
গ্রেপ্তারের পর এখন দুই দেশেই এই হত্যাকাণ্ডের তদন্তে নতুন গতি আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
