আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে রাজসাক্ষী করার প্রক্রিয়ায় ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ খতিয়ে দেখার ঘোষণা দিয়েছেন নবনিযুক্ত চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) ট্রাইব্যুনালে নিজ দপ্তরে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, তথাকথিত আন্দোলনের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনকে রাজসাক্ষী করতে প্রসিকিউশন টিমের সদস্যদের মধ্যে ঘুষ লেনদেনের যে অভিযোগ উঠেছে, তা তদন্ত করে দেখা হবে।
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ট্রাইব্যুনালের কোনো প্রসিকিউটর অনিয়মে জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। “দায়িত্ব পালনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা হবে,”যোগ করেন তিনি।
তিনি আরও জানান, তথাকথিত আন্দলনের মামলাগুলোর তদন্ত সঠিকভাবে হয়েছে কি না, তা যাচাই-বাছাই করা হবে। তদন্তে ভুল বা গাফিলতি প্রমাণিত হলে আইনগত সুযোগ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান আমিনুল ইসলাম।
এদিন সকালে তিনি প্রসিকিউশন টিমের সদস্যদের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে চলমান মামলাগুলোর অগ্রগতি, তদন্তের মান এবং ভবিষ্যৎ কৌশল নিয়ে আলোচনা হয় বলে জানা গেছে।
উল্লেখ্য, ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার হুসাইন তামীমের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন অপর প্রসিকিউটর বি এম সুলতান মাহমুদ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব অভিযোগ উত্থাপন করেন। বিষয়টি সদ্য বিদায়ী প্রধান কৌঁসুলি মোহাম্মদ তাজুল ইসলামের শেষ কর্মদিবসে প্রকাশ্যে আসে।
নতুন চিফ প্রসিকিউটরের ঘোষণার পর অভিযোগের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক অনুসন্ধান শুরু হবে কি না, তা নিয়ে এখন নজর রয়েছে সংশ্লিষ্ট মহলের।
