ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম সম্প্রতি অনলাইনে ‘অপপ্রচার ও সাইবার বুলিংয়ের’ অভিযোগ এনে যেসব ব্যক্তি এবং ব্যঙ্গাত্মক পেজের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন, তা মত প্রকাশের স্বাধীনতার ওপর সরাসরি আঘাত বলে জানিয়েছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা ‘আর্টিকেল নাইনটিন’। সংস্থাটি এ ঘটনাকে তীব্রভাবে নিন্দা করেছে।
মঙ্গলবার গণমাধ্যমের উদ্দেশে পাঠানো এক বিবৃতিতে ‘আর্টিকেল নাইনটিন’ বলেছে, মামলার অভিযোগপত্রে যাদের নাম রয়েছে, তাদের মধ্যে আছেন সাংবাদিক, রাজনৈতিক কর্মী, ছাত্রসহ ভিন্ন রাজনৈতিক দলের সমর্থকরা—“যাদের মধ্যে অধিকাংশ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত।” অভিযোগকারী নিজেও “বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-সম্পৃক্ত ছাত্র সংগঠনের সদস্য” বলে উল্লেখ করেছে সংস্থাটি।
ব্যঙ্গাত্মক পেজগুলোর বিরুদ্ধে মামলা নিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়, “‘ইয়ার্কি’ একটি প্রতিষ্ঠিত ব্যঙ্গাত্মক প্ল্যাটফর্ম, যা সাংবাদিক ও রাজনৈতিক ব্যঙ্গকার সিমু নাসের পরিচালনা করেন। অভিযোগে উল্লেখিত অন্যান্য প্ল্যাটফর্মও মূলত ব্যঙ্গ, মিম এবং রাজনৈতিক ভাষ্য প্রকাশ করে। মামলাটি রাজনৈতিক বিষয়বস্তু বা মতামত প্রকাশকারী ফেসবুক পেজগুলোকেও লক্ষ্যবস্তু করেছে।”
সংস্থাটি মন্তব্য করে, “আর্টিকেল নাইনটিন গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছে যে এই মামলা ২০২৪ সালের জুলাইয়ের তথাকথিত আন্দোলন পর জনগণের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষা ও স্বাধীনতার দাবি এবং মৌলিক অধিকার সুরক্ষা, নাগরিক পরিসর পুনরুদ্ধার ও ডিজিটাল আইন অপব্যবহার রোধে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতিশ্রুতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক।”
বিবৃতির শেষ অংশে সাদিক কায়েমকে মামলা প্রত্যাহারের আহ্বান জানানো হয়েছে বলে জানায় সংস্থাটি।
