নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজধানীর প্রগতি সরণির কুড়িল চৌরাস্তা এলাকায় ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল থেকে ছাত্রদলের হাতে আটক হওয়া এক কর্মীকে সাধারণ পথচারী পরিচয়ে স্বজনেরা ছাড়িয়ে নিয়ে গেছেন। বৃহস্পতিবার কুড়িল এলাকায় জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে সংক্ষিপ্ত ঝটিকা মিছিলটি বের হলে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার একপর্যায়ে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, একদল লোক মিছিল নিয়ে এগোতে থাকলে পেছন থেকে হঠাৎ কয়েকজন ধাওয়া দেয়, যার ফলে মিছিলটি ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়।
পাবলিক অর্ডার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষা সংক্রান্ত বিদ্যমান দণ্ডবিধি এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নীতি অনুসরণ করে প্রগতি সরণি এলাকায় পুলিশি টহল জোরদার রাখা হয়েছে। রাজধানীর স্পর্শকাতর পয়েন্টগুলোতে বিশৃঙ্খলা এড়াতে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রশাসনিক নজরদারি বহাল রয়েছে।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ ও স্থানীয় থানা কর্তৃপক্ষ যৌথভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ভিডিও ক্লিপটি পরীক্ষা করে দেখছে। জনপথে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করা কিংবা অননুমোদিত মিছিলকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ জারি রাখা হয়েছে।
ছাত্রদলের নেতাদের অভিযোগ, ঝটিকা মিছিল থেকে পালানোর সময় তাঁদের এক নেতা ওই ছাত্রলীগ কর্মীকে আটক করেছিলেন, তবে আশেপাশে ছদ্মবেশে থাকা সহযোগীরা এসে তাকে ছিনিয়ে নেয়।
তাঁরা আরও দাবি করেন, ছাত্রলীগের ওই কর্মীকে রক্ষা করতে এসে কয়েকজন ব্যক্তি নিজেদের সাধারণ পথচারী ও স্থানীয় বাসিন্দা পরিচয় দিয়ে জোরপূর্বক তাকে মুক্ত করে নিয়ে যায়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ওই ভিডিওটিতে কয়েকজন ব্যক্তিকে উত্তেজিত অবস্থায় আটক যুবককে ছাত্রদল নেতার কাছ থেকে সরিয়ে নিতে দেখা যায়।
তবে আটক হওয়া ওই যুবক সত্যিই ছাত্রলীগের কর্মী কি না বা কারা তাঁকে ছিনিয়ে নিয়েছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট পুলিশের কোনো অফিশিয়াল বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ব্যস্ততম প্রগতি সরণি ও কুড়িল এলাকায় দিনের আলোয় এমন ঝটিকা মিছিল ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনায় পথচারী ও স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মাঝে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।
ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ ও ভাইরাল ভিডিও বিশ্লেষণ করে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করার চেষ্টা চালাচ্ছ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
