ইউনুস যেখানে নিজেই ঘোষণা দিয়েছেন জুলাই কোন আন্দোলন নয় বরং এটি মেটিকুলাস ডিজাইন। সরকার হটানোই ছিল যার উদ্দেশ্য। দেশজুড়ে হত্যা ভাংচুর সবই ছিল ইউনুসের পরিকল্পিত। সময়ের সাথে সাথে সবকিছু পরিষ্কার হলেও সেই জুলাই ধরেই জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে জুলাই আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা ও নিপীড়নের অভিযোগে অভিযুক্ত শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে সিন্ডিকেটের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত (১৫ জুন)-
সতর্কীকরণ
- অধ্যাপক হোসনে আরা – সতর্কীকরণ
- অধ্যাপক এ এ মামুন – সতর্কীকরণ ও ৫ বছরের জন্য প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনে অযোগ্য
বেতন কমানো / প্রশাসনিক নিষেধাজ্ঞা - অধ্যাপক ইস্রাফিল আহমেদ রঙ্গন – বেতন বর্তমান পদের প্রারম্ভিক স্কেলে নামানো
- অধ্যাপক আলমগীর কবির – বেতন প্রারম্ভিক স্কেলে নামানো ও ৫ বছরের প্রশাসনিক অযোগ্যতা
- আ স ম ফিরোজ-উল-হাসান – বেতন কমানো, ২ বছর পর পদোন্নতির আবেদন, ৫ বছরের প্রশাসনিক নিষেধাজ্ঞা
- অধ্যাপক বশির আহমেদ – বেতন প্রারম্ভিক স্কেলে নামানো, ২ বছর পর গ্রেড উন্নয়নের সুযোগ, ৫ বছরের প্রশাসনিক নিষেধাজ্ঞা
- অধ্যাপক তাজউদ্দীন শিকদার – বেতন কমানো, ২ বছর পর গ্রেড উন্নয়নের সুযোগ, ৫ বছরের প্রশাসনিক নিষেধাজ্ঞা
- অধ্যাপক মোহাম্মদ মোস্তফা ফিরোজ – বেতন দ্বিতীয় গ্রেডে নামানো, ৫ বছরের প্রশাসনিক নিষেধাজ্ঞা
পদাবনতি - মহিবুর রৌফ শৈবাল – সহকারী অধ্যাপক থেকে প্রভাষক পদে পদাবনতি
- নাহিদুর রহমান খান – সহকারী রেজিস্ট্রার পদে পদাবনতি, ২ বছর পর পুনরায় পদোন্নতির সুযোগ
ইনক্রিমেন্ট বাতিল - অধ্যাপক নাজমুল হোসেন তালুকদার – ২ বছরের বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট বাতিল ও নিম্নতর বেতন স্তর
- কানন কুমার সেন – ২ বছরের বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট বাতিল
বাধ্যতামূলক অবসর - মেহেদী ইকবাল – বাধ্যতামূলক অবসর
অভিযোগ থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন - পলাশ সাহা
- শফি মোহাম্মদ তারেক
- জহিরুল ইসলাম খোন্দকার
- মোহাম্মদ ছায়েদুর রহমান
- মনির উদ্দিন শিকদার
- মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম
- আনোয়ার খসরু পারভেজ
- রাজীব চক্রবর্তী
অতিরিক্ত সিদ্ধান্ত: সিন্ডিকেট জানিয়েছে, তৎকালীন উপাচার্য, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) ও কোষাধ্যক্ষের ভূমিকা তদন্তে পৃথক স্ট্রাকচার্ড কমিটি গঠন করা হবে।
Comments
