নাসরীন সুলতানা, সহযোগী অধ্যাপক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
বাংলাদেশে দেশে কোন সরকারই আলোকিত প্রজন্ম করার চিন্তা করেনি। তাদের চিন্তা ছিল দলীয় কর্মী তৈরি করা। সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়েছে একটি রাজনৈতিক দল। তারা তাদের রাজনৈতিক এজেন্ডা আড়ালে রেখে পাঠচক্রের নামে জ্ঞানের প্রলোভন দেখিয়ে, কোচিং করিয়ে নিজেদের রাজনৈতিক মতাদর্শ একটু একটু করে পুশ করেছে।
দেশের জেলা উপজেলাগুলোতে দেখুন তো ভালো পাঠাগার আছে কিনা। থাকলেও সেখানে কারা যায়? ক ধরনের জ্ঞানচর্চা হয়?
এখন হায়হুতাশ না করে নতুন করে শুরু করুন। যে কোন মুহুর্তেই মানুষ ঘুরে দাঁড়াতে পারে। অভিযোগ না তুলে নিজেদের ভুলগুলো পর্যালোচনা করে সেখান থেকে শিক্ষা নিন। না বুঝলে মৃত্যুক্ষুধা নাটকটি দেখুন। দরিদ্র এবং ক্ষুধার্ত মানুষকে সাহায্য করার মাধ্যমে কীভাবে খ্রিস্টান মিশনারীরা তখন খ্রিস্ট ধর্ম প্রচার করেছে সেটি আবার বুঝতে পারবেন।
জ্ঞান, খাদ্যের চেয়েও প্রয়োজনীয়। কারণ জ্ঞান কাজে লাগিয়ে খাদ্যের জোগান দেওয়া যায়। সুতরাং, খাবারের মতো জ্ঞান বিতরণও দারুণ কাজ করে।
সরকারের আমাদের কথা শোনার সময় নেই। সরকার সমালোচনা নিতে পারে না। সমালোচনা করলেই মনে করে সরকার পতনের ডাক দেওয়া হচ্ছে। একমাত্র দেশের মানুষ যদি বোঝে তবেই সম্ভব।
এমন একজন শিক্ষামন্ত্রী দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে কেবল আরো সমস্যাযুক্ত করবেন মনে হচ্ছে। কারণ তার আধুনিক বিশ্ব সম্পর্কে কোন ধারণা নেই। তিনি মনে করছেন নকল ধরা তার কাজ। হাউ ফানি!
অনেক বড় একটা পরিকল্পনা নিয়ে আগালে তবে ১০/১৫ বছর পর হয়তো একটা পরিবর্তন দেখা যাবে। তবে তার আগে প্রাথমিক এবং মাধ্যমিক শিক্ষা সম্পূর্ণ রাজনীতি মুক্ত করতে হবে।
