বিভিন্ন প্রভাবশালী মহলের অনুরুধে আসন্ন ঢাকা সিটি কর্পোরেশন (উত্তর) এর মেয়র পদে নির্বাচন করতে পারেন বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত জনপ্রিয় আমেরিকান এটর্নী মঈন চৌধুরী। চ্যানেল ফেরটিনের সাথে একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি এ আশাবাদ প্রকাশ করেন।
স্বপ্নের শহর নিউ ইয়র্ক—যেখানে প্রতিদিন জন্ম নেয় হাজারো গল্প। আর সেই গল্পগুলোর মাঝেই আছে এক বাংলাদেশির অসাধারণ যাত্রা—ন্যায়, মানবতা আর প্রবাস জীবনের সেবায় নিবেদিত এক নাম—অ্যাটর্নি মঈন চৌধুরী।”
“বাংলাদেশের মাটি ও মানুষে বেড়ে ওঠা মঈন চৌধুরী শৈশব থেকেই ছিলেন কৌতূহলী, ন্যায়বোধসম্পন্ন ও আত্মপ্রত্যয়ী। শিক্ষার প্রতি গভীর অনুরাগ তাঁকে নিয়ে যায় আইন পেশার পথে।”
“এক হাতে ব্যাগ, অন্য হাতে স্বপ্ন নিয়ে নিউ ইয়র্কে আসেন মঈন চৌধুরী। শুরুটা ছিল কঠিন—অপরিচিত শহর, অচেনা সমাজ। কিন্তু তিনি জানতেন, পরিশ্রমই তাঁর মূলধন।”
‘ইমিগ্রেশন, এক্সিডেন্ট কেইস, পারিবারিক আইন, নাগরিক অধিকার—যে কোনো জটিল আইনী বিষয়ে তিনি প্রবাসীদের নির্ভরতার প্রতীক। তাঁর অফিস হয়ে ওঠে প্রবাসী বাংলাদেশিদের আশ্রয়স্থল।”
“আইন পেশার বাইরেও মঈন চৌধুরী একজন মানবদরদী। প্রবাসে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে তিনি সবসময় যুক্ত থাকেন নানামুখী সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে।”
মঈন চৌধুরী বলেন-
“আমি বিশ্বাস করি—ন্যায় প্রতিষ্ঠার কাজ কখনো শেষ হয় না। আমরা যারা প্রবাসে আছি, আমাদের উচিত একে অপরের পাশে থাকা, যেন আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম জানে—বাংলাদেশিরা কখনও হার মানে না। বাংলাদেশ থেকে অনেকেই অনুরোধ করছেন। এখনও সিদ্ধান্ত নেইনি তবে সকলে অভয় দিলে নির্বাচন করতে পারি।”
দীর্ঘদিনের কর্মজীবনে তাঁর রয়েছে উল্লেখযোগ্য সাফল্য। জয় করেছেন শত শত মামলা, মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার সহায়তা এনে দিয়েছেন বাঙালিদের। তাঁর কাজের অবদান স্বরূপ তিনি নিউ ইয়র্ক স্টেট থেকে প্রবাস বন্ধু উপাধিতে ভূষিত হন । তিনি ডেমোক্র্যাটিক পার্টির District Leader at large হিসেবে ২০১৬ সাল থেকে কমিউনিটির সেবা করে যাচ্ছেন। তিনি আমেরিকান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কতৃক Lifetime Achievement Award. এছাড়াও তাঁর কাজের অবদানের জন্য অর্জন করেন American Congressional proclamation, New York City Proclamation সহ আরো অনেক পুরস্কার যা মঈন চৌধুরীকে নিয়ে গেছে অনন্য উচ্চতায়। তিনি আজ সমগ্র বাঙালি জাতির গর্ব।
“একজন মানুষের গল্প—যিনি আইন পেশার মাধ্যমে ছুঁয়ে গেছেন লাখো মানুষের মন।
এটাই অ্যাটর্নি মঈন চৌধুরীর গল্প— প্রবাসী বাংলাদেশিদের আস্থার অপর নাম।”
তার হাতের ছোঁয়ায় বদলে যেতে পারে ঢাকাবাসীর ভাগ্য।
