নিজস্ব প্রতিবেদক
বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণে সারাদেশে ভোটার উপস্থিতি কম দেখা গেছে। সহিংসতায় মারা গিয়েছে এখন পর্যন্ত কমপক্ষে ৫ জন।
প্রথমার্ধের সাড়ে ৪ ঘন্টায় ভোটার উপস্থিতি কম থাকলেও ইসি বলছে ৩২.৮৮ শতাংশ ভোট পড়েছে, যেটার সাথে মাঠের চিত্রের কোন মিল নেই।
নির্বাচনের আগের রাতে অংশগ্রহণকারী দলগুলো পরস্পরের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ এনেছিল।
তবে সকাল সাড়ে নয়টা পর্যন্ত গোপালগঞ্জের বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি নেই বললেই চলে বলে জানিয়েছেন বিবিসি সংবাদদাতা। তিনি জানান, অনেক কেন্দ্রে ধানের শীষ ছাড়া অন্য প্রার্থীর এজেন্ট তার চোখে পড়েনি।
নির্ধারিত সময় সকাল সাড়ে সাতটায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে এবং বিরতিহীনভাবে এটি চলবে বেলা সাড়ে চারটা পর্যন্ত।
অন্তর্বর্তী সরকার কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে রাখায় আওয়ামী লীগ এই নির্বাচনে অংশ নিতে পারছে না। অন্যদলগুলোর অংশগ্রহণে ২৯৯টি সংসদীয় আসনে আজ ভোটগ্রহণ হচ্ছে। একজন প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে শেরপুরের একটি আসনে আজ ভোট হচ্ছে না।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য মতে, দেশে এবার মোট ভোটার ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৭৯৩ জন। সারাদেশে মোট ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ৪২ হাজার ৭৭৯টি।
ইস্কাটনে ভোট দিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, “মানুষ উৎসবের আনন্দে মেতে উঠেছে। ঈদের আনন্দ নিয়ে তারা ভোট দিচ্ছে। দুই একটা জায়গায় কেন্দ্রের বাইরে সামান্য গোলমাল হলেও তা তাৎক্ষণিকভাবে মেটানো হচ্ছে”।
