আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি ও পাচারের অভিযোগ বাংলাদেশে ‘ওপেন সিক্রেট’ বলে পরিণত হয়েছে। গত ১৬ মাসে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে দুবাই, সিঙ্গাপুর, অস্ট্রেলিয়া ও সুইজারল্যান্ডে এই অর্থ পাঠানোর খবর অনুসন্ধানে বেরিয়েছে।
সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ছাত্র আন্দোলনের মুখ থেকে ক্ষমতায় এসে স্থানীয় সরকার ও ক্রীড়া খাতে দায়িত্ব পালন করেন। গোয়েন্দা সূত্রে অভিযোগ, সিন্ডিকেটের মাধ্যমে মেগা প্রজেক্ট, নিয়োগ বাণিজ্য ও ঠিকাদারি থেকে অর্থ সংগ্রহ করে দুবাই, সিঙ্গাপুর, অস্ট্রেলিয়া ও সুইজারল্যান্ডে পাঠানো হয়েছে। জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ও যুব অধিকার পরিষদ দুদক তদন্ত দাবি করেছে ।
অনুসন্ধানে বেরিয়েছে চার দেশে বিনিয়োগের খসড়া:
হুন্ডি, ভুয়া বিল ও পরিবারের নামে সম্পত্তি কেনা হয়েছে বলে অভিযোগ।
সিন্ডিকেটের নেটওয়ার্ক
- আসিফ নজরুল: আইনি সুরক্ষা, ভুয়া কোম্পানি খোলা।
- বিল্লাল হোসেন (বাবা): কুমিল্লায় ঠিকাদারি নিয়ন্ত্রণ।
- এপিএস মোয়াজ্জেম: সচিবালয়ে ডিল, নিয়োগ বাণিজ্য।
শেখ রাসেল স্টেডিয়ামে ১২০০ কোটি ব্যয় বাড়ানোর অভিযোগ রয়েছে। এলজিইডি ও গণপূর্ত প্রকল্প থেকে লভ্যাংশ ডলারে রূপান্তরিত ।
জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নাছির উদ্দীন নাছির বলেছেন, ‘হাজার কোটি দুর্নীতি, দুদক তদন্ত চাই’ । যুব অধিকারের নাদিম মাহমুদ অভিযোগ করেছেন, দুদক পদক্ষেপ নিচ্ছে না । আসিফের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, অভিযোগ রাজনৈতিক প্ররোচিত। টিআইবি-র সাবেক কর্মকর্তা মনে করেন, এটি অর্থনৈতিক ক্ষতি এবং আন্তর্জাতিক মানিলন্ডারিংয়ের ঝুঁকি ।
বিমানবন্দর পিস্তল ঘটনা থেকে শুরু এই অভিযোগ বিপ্লবী পরিবর্তনের সংস্কার প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। দুদকের পদক্ষেপের অপেক্ষায় রাজনীতিতে উত্তেজনা বাড়ছে।
