হামজা রহমান অন্তর
কিংবদন্তি ইসলাম উদ্দিন পালাকারকে একদিকে ভণ্ড ফারুকীর বুদ্ধিতে একুশে পদক দিয়ে সাংস্কৃতিক অঙ্গনের আইওয়াশ করা হচ্ছে, আরেকদিকে দেশের সংস্কৃতির রাজধানী জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে পালাগান বাউলগানের আসর ভেঙ্গে দেওয়া হচ্ছে শিবিরের ‘সাধারণ শিক্ষার্থী’ দ্বারা মব করে।
এটাই ডিপস্টেট পরিচালিত মোল্লা-মিলিটারি শাসনব্যবস্থা, ১২ তারিখের পর যার আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হবে। গত ১৮ মাস শুধু ড্রেস রিহার্সাল চলেছে।
আমি নিজে একজন নাট্যস্নাতক, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সাংস্কৃতিক বিদ্যাপীঠ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগে পড়াশোনা করে এসেছি। সারাটা জীবন ভালোবেসেছি বাংলা ও বাঙালির নিজস্ব সত্ত্বাকে। অথচ চোখের সামনে দেশটাকে এখন ধ্বংস হতে দেখতে হচ্ছে, যে ধ্বংসের জন্য সবচেয়ে বেশি দায়ী দেশের বিভ্রান্ত বুদ্ধিজীবী মহল।
আমার করুণা হয় বামদের দিকে তাকালে। সারাজীবন ওরা নিজেদের অনেক জ্ঞানী ভেবেছে। কিন্তু ওরা যে কিছুই জানে না, সেটা ইতিহাসে বারবার প্রমাণিত হয়ে আসছে। ছাত্রলীগ-আওয়ামী লীগকে ধিক্কার দিয়ে বামরা বারবার শিবিরের কোলে উঠেছে। এরপর বাতি নিভিয়ে শিবির ওদের বলৎকার করেছে।
এদেশের মাটি থেকে মোল্লাতন্ত্রের উচ্ছেদ করতে একমাত্র ঔষধের জনরার নাম আওয়ামী লীগ, একমাত্র এন্টিবায়োটিক হলো ছাত্রলীগ, একমাত্র সিরাপ হলো জয়বাংলা, আর একমাত্র নাপা টেবলেট হলো লগি-বইঠা।
