মো: তারেক রহমান
ডক্টর ইউনূস রহিঙ্গাদের বলেছিল আগামী ঈদ সবাই বাড়িতে গিয়ে করবেন। এর কদিন পরই হাজার হাজার রহিঙ্গা দেশে ঢুকল নতুন করে। আমি তার দেয়া কোন সুখবরকে সুখবর মনে করি না। তার দেয়া সুখবর এর পেছনে অন্ধকার থাকে, ভিনদেশী স্বার্থ থাকে। বন্দর নিয়ে জাতীয় নিরাপত্তা কতটা বিঘ্নিত হবে, যখন অস্ত্র, প্রযুক্তি আমদানীর সময় আমেরিকার নিষেধাজ্ঞা খাবে তখন বুঝবে।
আমার ইরান, পাকিস্তান, রাশিয়া বা যে কোন দেশ থেকে এখন প্রযুক্তি শেয়ারিং এর সময় পার করছি। সামনে যেই ক্ষমতায় আসুক এই সক্ষমতা বাড়াবেই। আমার এমন কিছু সামরিক সক্ষমতা থাকবে যা অন্যের কাছে আমার দেশকে শক্তিশালী হিসাবে দাঁড় করাবে। এই জায়গাটিতে ভারত ও আমেরিকার এস্ট্যাবলিশমেন্ট সংযোগ ঘটানোই একটি ডিজাইন বন্দর বিদেশীদের দেয়া। ডিপি ওয়ার্ল্ড এর পরিদর্শনে আসা অফিসারদের সিংহভাগই ছিল ভারতীয় অফিসার। এক দিকে দিল্লী না ঢাকা স্লোগান দেবেন, আর ভিনদেশীদের উচ্চ লাভে বন্দর দেবেন। আপনি পারবেন, ডিপি ওয়ার্ল্ড বা এসব ভিনদেশী কর্তৃপক্ষকে ভারতীয় নিয়োগ দিতে বাঁধা দিতে?
শুধু মাত্র বিদেশীদের লভ্যাংশ বৃদ্ধির জণ্য ডক্টর ইউনূস বন্দরে সেবার চার্জ ৪১ শতাংশ বৃদ্ধি করেছে। যদি দেশের লাভের জন্যই দেন, তাহলে আগের রেটে কেন পারবে না বিদেশীরা?
আমি তো দেখলাম না, আমদানী রপ্তানিকারকরা কর্মসূচি করে দাবি জানিয়েছে কখনো যে, বন্দর বিদেশীদের দিয়ে দেয়া হোক। তাহকে কার আগ্রহে এটা দেয়া হচ্ছে।
দেশীয় উদ্যোগ ও উদ্ভাবনে সক্ষমতা বৃদ্ধি সার্বভৌমত্বের লড়াইয়েত প্রথম শর্ত। দেশের সেবা ও উৎপাদন খাতকে দেশের অভ্যন্তরীণ উদ্যোগের মাধ্যমে শক্তিশালী করলেই কেবল আমরা স্বনির্ভর হই।
আমাদের পানি, গ্যাস, তেল একইভাবে বিদেশী কর্তৃত্ব হতে মুক্ত করে সরকার ও জনগনের যৌথ মালিকানায় পরিচালনার সক্ষমতাই হল, সার্বভৌমত্বের নিগূঢ় চিন্তার বহিঃপ্রকাশ।
এই ক্ষেত্রেও দেখলাম, বাপেক্স থেকে কর্তৃত্ব নিয়ে রা বিদেশী কম্পানি শেভরনকে দিয়ে দেয়ার তৎপরতা চালাচ্ছে।
দেশের নিজস্ব উৎপাদন ও সেবা দূর্নীতিমুক্ত ও স্বাবলম্বী না করে একে একে বিদেশীদের দিয়ে আমরা কি শুধু বিদেশে গিয়ে উটচড়ানো জাতি হিসাবে বেড়ে উঠব?
