আন্তর্জাতিক ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডে সরাসরি আঘাত হানতে সক্ষম কঠিন জ্বালানিচালিত নতুন আন্তমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ‘হোয়াসং ২০’ উত্তর কোরিয়ার নবনির্মিত প্রতিরক্ষা জাদুঘরে স্থায়ীভাবে প্রদর্শন করেছেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন। রোববার (১১ অক্টোবর) পরিবারের সদস্যদের নিয়ে তিনি এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের (UNSC) প্রস্তাবনা অনুযায়ী উত্তর কোরিয়ার যেকোনো ধরনের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও পারমাণবিক সক্ষমতা প্রদর্শন বা পরীক্ষার ওপর কঠোর আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।
উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, কেসিএনএ এবং যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউস আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও পারমাণবিক অসামরিকীকরণের প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত।
ক্ষমতাসীন ওয়ার্কার্স পার্টির ৮১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত ‘ন্যাশনাল ডিফেন্স রেভল্যুশন মিউজিয়াম’-এ হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং সাবমেরিন থেকে উৎক্ষেপণযোগ্য অস্ত্রও প্রদর্শন করা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, প্রদর্শনী বোর্ডে একাধিক ওয়ারহেডের নকশা এবং যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডসহ মধ্যপ্রাচ্য ও অস্ট্রেলিয়া পর্যন্ত আঘাত হানার সম্ভাব্য পাল্লা বিশ্বমানচিত্রে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আসন্ন এশিয়া সফরে কিম জং উনের সঙ্গে সম্ভাব্য বৈঠকের ইঙ্গিত দেওয়ার পরপরই পিয়ংইয়ংয়ের পক্ষ থেকে এই সামরিক সক্ষমতার বহিঃপ্রকাশ ঘটানো হলো।
জাদুঘর উদ্বোধনের পরপরই উত্তর কোরিয়ার পূর্ব উপকূলে নতুন কৌশলগত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ চালিয়েছে দেশটির সামরিক বাহিনী।
দক্ষিণ কোরিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে উত্তর কোরিয়ার এই সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা ও সামরিক প্রদর্শনী বিশ্বশান্তির জন্য হুমকি হিসেবে দেখছে।
