ফোরটিন ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান কঠোর অভিবাসন নীতি ও নানা আইনি জটিলতার মধ্যেও বৈধ প্রক্রিয়ায় গ্রিন কার্ড পেয়ে নিজের ভাগ্য বদলেছেন এক মেধাবী বাংলাদেশি তরুণ। দেশের চলমান ইমিগ্রেশন কড়াকড়ি ও দীর্ঘ অপেক্ষার মাঝে এমন সফলতা বাংলাদেশি কমিউনিটিতে এক নতুন আশার আলো সঞ্চার করেছে।
নিউ ইয়র্কের পরিচিত ইমিগ্রেশন অ্যাটর্নি মঈন চৌধুরী নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তরুণের সঙ্গে তোলা একটি ছবি পোস্ট করে তিনি জানান, তাঁর ল’ ফার্মের অভিজ্ঞ স্টাফ ও দক্ষ আইনি কৌশলের সহায়তায় এই তরুণ সম্পূর্ণ বৈধ উপায়ে আমেরিকান গ্রিন কার্ড অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন। অ্যাটর্নি মঈন চৌধুরী তরুণটিকে অত্যন্ত ‘মেধাবী ও প্রজ্ঞাবান’ হিসেবে আখ্যা দেন।
বর্তমানে ইউএস সিটিজেনশিপ অ্যান্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিসেস (ইউএসসিআইএস)-এর বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে আবেদন প্রক্রিয়াকরণে ১০ থেকে ১২ মাসেরও বেশি সময় লাগছে। এছাড়া ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত করা বা নতুন আইন প্রয়োগের কারণে সাধারণ আবেদনকারীদের মাঝে এক ধরনের উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে। এমন একটি বৈরী ইমিগ্রেশন পরিস্থিতিতে সঠিক আইনি তথ্য ও পরামর্শ নিয়ে এগোলে যে এখনও সফলতা সম্ভব, তারই উজ্জ্বল প্রমাণ এই ঘটনা।
কোন সুনির্দিষ্ট ইমিগ্রেশন ক্যাটাগরির মাধ্যমে এই গ্রিন কার্ডটি এসেছে তা বিস্তারিত প্রকাশ না করা হলেও, সঠিক কাগজপত্র ও নিয়মের ওপর ভর করে পাওয়া এই জয়কে প্রবাসীরা অত্যন্ত ইতিবাচকভাবে দেখছেন। দীর্ঘ দিন ধরে মার্কিন মুলুকে স্থায়ী হওয়ার অপেক্ষায় থাকা হাজারও আবেদনকারীর জন্য এই ঘটনা এক বড় সামাজিক অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
