ডেস্ক রিপোর্ট: চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা আজ মঙ্গলবার থেকে সারা দেশে একযোগে শুরু হচ্ছে। এবারের পরীক্ষায় ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে। এর মধ্যে ছাত্র ৯ লাখ ৩০ হাজার ৩০৫ জন এবং ছাত্রী ৯ লাখ ২৭ হাজার ৩৯ জন। তবে গত বছরের তুলনায় এবার মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৭০ হাজার কমেছে। সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোতে পরীক্ষার্থী কমলেও ব্যতিক্রম চিত্র দেখা গেছে মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে, যেখানে দাখিল পরীক্ষার্থীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।
পরীক্ষা উপলক্ষে সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি জানান, দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন, মাদরাসা বোর্ডের অধীনে ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন এবং কারিগরি বোর্ডের অধীনে ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় বসছে। সারা দেশের ৩ হাজার ৮৮৫টি কেন্দ্রে মোট ৩০ হাজার ৬৬৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছে। তাত্ত্বিক পরীক্ষা চলবে আগামী ২০ মে পর্যন্ত।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫ সালের তুলনায় এবার পরীক্ষার্থী কমেছে ৭০ হাজার ৮৩৭ জন। তবে মাদরাসা বোর্ডে গত বছরের ২ লাখ ৮৬ হাজার ৫৭২ জনের বিপরীতে এবার পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জনে। সাধারণ বোর্ডগুলোর মধ্যে বরাবরের মতোই ঢাকা বোর্ডে সর্বোচ্চ ৩ লাখ ৬৬ হাজার ৬৫০ জন পরীক্ষার্থী রয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন এবং মাউশির মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে, আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে এসএসসি পরীক্ষার সময়সূচিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি জানান, শিক্ষার্থীদের জীবনের মূল্যবান সময় বাঁচাতে ডিসেম্বরের মধ্যেই কোর্স শেষ করে পরীক্ষা নেওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। জানুয়ারি থেকে ক্লাস শুরু হওয়ায় ডিসেম্বরে পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ঘাটতি পোষাতে বর্তমানে সপ্তাহে ছয় দিন ক্লাস নেওয়া হচ্ছে। ডিসেম্বরের মধ্যে কোর্স শেষ করে পরীক্ষা সম্পন্ন করাই সরকারের লক্ষ্য বলে তিনি স্পষ্ট বার্তা দেন।
সূত্রঃ কালের কণ্ঠ
