নিজস্ব প্রতিনিধি
কৃষি নির্ভর দেশ হয়েও সারের চাহিদার প্রায় সবটাই বিদেশ থেকে আমদানি করে বাংলাদেশ। দেশের সরকারি পাঁচটি ও বেসরকারি একটি কারখানায় কিছু সার উৎপাদিত হলেও বড় অংশই আসে মধ্যপ্রাচ্য বা আফ্রিকার বিভিন্ন দেশ থেকে।
বাংলাদেশে বছরে প্রায় ৭০ লাখ টন সারের চাহিদা রয়েছে। বাংলাদেশ ফার্টিলাইজার অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী, মোট চাহিদার প্রায় সাড়ে ২৬ লাখ টনই লাগে ইউরিয়া সার।
যার কেবল ১০ লক্ষ টন দেশে উৎপাদন হয়। অর্থাৎ কৃষিতে প্রয়োজনীয় সারের বড় অংশই আমদানি করতে হয়।
আর এ কারণেই মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি সারের আমদানি এবং চাহিদা পূরণ নিয়ে বাংলাদেশকে শঙ্কায় ফেলেছে।
যদিও কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলছেন, পর্যাপ্ত সার মজুদ থাকায় এই মুহূর্তে সংকটের কোনো শঙ্কা নেই।
তিনি বলেন, আমদানিকৃত সার এখনও যতটা মজুদ আমাদের কাছে আছে, তাতে আরও মোটামুটি এক বছর চালিয়ে নেওয়া যাবে।
মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ইউরিয়া চার লাখ ৯৩ হাজার টন, টিএসপি তিন লাখ ৮২ হাজার টন, ডিএপি পাঁচ লাখ নয় হাজার টন এবং এমওপি মজুদ রয়েছে তিন লাখ ৪২ হাজার টন।
মন্ত্রী বলছেন, এখন বোরো মৌসুমের শেষ পর্যায়ে। ফলে আগামী কয়েক মাস নতুন করে বিপুল পরিমাণ সারের প্রয়োজন পড়বে না।
এছাড়া বর্ষা শেষে আমন মৌসুমেও ইউরিয়ার চাহিদা তুলনামূলক কম থাকে। মূলত আগামী বছরের বোরো মৌসুমকে লক্ষ্য করেই এখন থেকে আমদানির প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, কাতার, সৌদি আরব থেকে আমরা মূলত ইউরিয়া আমদানি করতাম। এই মুহূর্তে কোনো ক্রাইসিস নাই, তবে এটা যেহেতু চলমান প্রক্রিয়া তাই আমরা বিকল্প উৎস খুঁজছি।
সচেতন মহল বলেছেন, বিএনপি সরকারেরসময় সারের জন্য কৃষক গুলি খেয়ে মরেছিলো। এবারও হয়ত সার সংকট মোকাবেলঅ করতে পারবে না এই সরকার।ফলে কৃষকরা সারের অভাবে ফসল ফলাতে পারবে না। খাদ সংকটে পড়বে দেশ।
তবে, কৃষকরা বলছেন জ্বালানির পর এবার সরে নিয়ে সঙকটে পড়বেন তারা। অসাধু ব্যবসায়ীরা সারের দাম বাড়াবে। এভাবে চলতে থাকলে এদেশের সাধারণ মানুষের জীবন চরম ভোগান্তিতে পড়বে।
