য়াদিল্লিতে অবস্থানের খবর ছড়িয়ে পড়ার একদিনের মাথায় দিল্লি পুলিশের হাতে আটক হলেন আহমেদ রেজা হাসান মাহদি। পরে তাকে বাংলাদেশগামী বিমানে তুলে দেওয়া হয়েছে বলে একাধিক সূত্র জানিয়েছে।
সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ও ছবিতে মাহদিকে রাজধানীর পাহাড়গঞ্জ এলাকায় একটি রেস্তোরাঁয় দেখা যায়। এরপরই চাঞ্চল্য তৈরি হয়। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের সময় হবিগঞ্জে এসআই সন্তোষ দাস হত্যাকাণ্ডে তার নাম জড়িয়েছিল। একটি ভাইরাল ভিডিওতে তিনি হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেছেন—এমন দাবিও ঘুরে বেড়াচ্ছে অনলাইনে।
মাহদি ‘স্টুডেন্টস অ্যাগেইনস্ট ডিসক্রিমিনেশন’ (এসএডি)-এর হবিগঞ্জ জেলা ইউনিটের নেতা বলে জানা গেছে। ভারতে প্রবেশের পর তিনি পাকিস্তানভিত্তিক একটি জঙ্গি সংগঠনের হয়ে ‘টেরর প্লট’ বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করছিলেন এমন অভিযোগও সামাজিক মাধ্যমে ওঠে। যদিও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ বিস্তারিত কিছু জানায়নি।
কাউন্টারটেররিজম বিশ্লেষক সালাহউদ্দিন শোয়েব চৌধুরী সামাজিক মাধ্যমে দাবি করেন, মাহদিকে দ্রুত গ্রেপ্তার করা প্রয়োজন। তার পোস্ট ভাইরাল হলে নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর মধ্যে সতর্কতা বাড়ে।
দিল্লি পুলিশ সূত্র বলছে, ভিসা সংক্রান্ত ও নিরাপত্তাজনিত বিষয় খতিয়ে দেখার পর তাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। তবে পুরো ঘটনার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
