বিতর্কের মুখে পিপলস অ্যাসোসিয়েশন ফর সোশ্যাল অ্যাডভান্সমেন্ট (পাশা)-এর নির্বাচনী পর্যবেক্ষণ নিবন্ধন স্থগিতের ঘোষণা দিলেও একদিন পরই নির্বাচন কমিশন (ইসি) সংস্থাটিকে পর্যবেক্ষক কার্ড ইস্যুর নির্দেশ দিয়েছে।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) ইসির জনসংযোগ পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিকের সই করা চিঠিতে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, স্থগিত সংস্থাকে কার্ড দিতে। চিঠিতে বলা হয়েছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির গণভোট ও ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ইসির নিবন্ধিত ৮১টি সংস্থার মোট ৫৫ হাজার ৪৫৪ জন পর্যবেক্ষককে অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
এর মধ্যে কেন্দ্রীয় ৭ হাজার ৯৯৭ জন এবং স্থানীয় ৪৭ হাজার ৪৫৭ জন। রিটার্নিং কর্মকর্তাদের এই তালিকা ভিত্তিতে পরিচয়পত্র ও গাড়ির স্টিকার ইস্যু করতে বলা হয়েছে। ওই নিয়ম অনুসরণ করে স্থগিত সংস্থা পাশাকেও কার্ড দিতে নির্দেশনা পাঠানো হয়। এই সিদ্ধান্ত নির্বাচনী স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে নতুন বিতর্ক জন্ম দিয়েছে।
বিরোধী রাজনৈতিক দল ও নাগরিক সমাজ প্রশ্ন তুলেছে, স্থগিত সংস্থাকে কেন কার্ড দেওয়া হচ্ছে এবং এর ফলে নির্বাচন পর্যবেক্ষণে বেফাঁসতা দেখা দেবে কিনা। ইসির এই দ্বিমুখী নীতি নির্বাচনকালীন পরিবেশকে আরও উত্তপ্ত করেছে এবং সরকারের নিরপেক্ষতা নিয়ে সন্দেহ বাড়িয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এমন সিদ্ধান্ত নির্বাচনের নিয়মকানুন ভঙ্গ করে ফলাফল প্রভাবিত করার চেষ্টা হিসেবে দেখা হতে পারে।
ইসি এখনো এ বিষয়ে কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি এবং রিটার্নিং কর্মকর্তারা নির্দেশ পালন করছেন। এই ঘটনা নির্বাচনের প্রায় এক সপ্তাহ আগে স্বচ্ছতা নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলেছে এবং জনমনে অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে।
