নিজস্ব প্রতিবেদক
যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলায় যৌথ বাহিনীর বিশেষ অভিযানে লুট হওয়া বিপুল পরিমাণে অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়েছে।
উদ্ধার করা অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে ১০টি শক্তিশালী গ্রেনেড ও ৩টি বিদেশি পিস্তল।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ধারণা, নির্বাচনকে সামনে রেখে বড় ধরনের নাশকতার উদ্দেশ্যেই এসব অস্ত্র মজুত করা হয়েছিল।
বার্তা সংস্থা ইউএনবির এক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, গতকাল শনিবার বিকেল পৌনে ৪টার দিকে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) গোপন তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সমন্বয়ে এই অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযান পরিচালনা করা হয় উপজেলার দলগ্রাম ইউনিয়নের দড়িআগ্রা গ্রামে চুন্নু মোল্লার বাড়িতে।
সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন আকিবের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে ওই বাড়ির ভেতর থেকে উদ্ধার করা হয় ১০টি গ্রেনেড, ৩টি বিদেশি পিস্তল, ১৯ রাউন্ড পিস্তলের গুলি, একটি চাপাতি, একটি ছুরি ও একটি খুর।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে, অভিযান শুরু হওয়ার আগেই বাড়ির সদস্যরা পালিয়ে যায়। অভিযানে মূল সন্দেহভাজন হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে চুন্নু মোল্লার ছেলে রায়হান মোল্লাকে (২৮)। তিনি ওই গ্রামের বাসিন্দা এবং তার বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে একাধিক অভিযোগ রয়েছে।
যৌথ বাহিনীর কর্মকর্তারা জানান, উদ্ধার অস্ত্র ও বিস্ফোরকগুলো অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এবং এগুলো দিয়ে বড় ধরনের নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড ঘটানো সম্ভব ছিল। বিশেষ করে সামনে জাতীয় নির্বাচন থাকায় এসব অস্ত্র জননিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে উঠতে পারত।
বাঘারপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান বলেন, এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত রায়হান মোল্লাকে আটকে অভিযান চলছে।
