আমিনুল হক পলাশ
ক) সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যু পরবর্তী সময়ে জামাত- শিবিরের দুইটা ভূমিকা থেকেই বিএনপির বুঝা উচিৎ, সুযোগ পেলে স্বাধীনতাবিরোধী এই গোষ্ঠীটা কতটুকু স্বার্থপর ও সর্বভূক আচরণ করতে পারে।
১। জামাতের আমির ডাঃ শফিকুর রহমান আজ বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে নতুন প্রজন্ম তথা জেনজিদের সাথে “Hello Our Leader” শীর্ষক এক মত বিনিময় সভায় অংশ নিয়েছেন। দীর্ঘদিনের জোট সঙ্গী দলের শীর্ষ নেত্রীর মৃত্যুতে একটা অনুষ্ঠান বাতিলের মতো উদার তারা হতে পারে নাই। এটাকেই বলে ভন্ডামি আর মুনাফেকী।
২। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ (জকসু) নির্বাচন আজকেই হতে হবে-এই দাবি নিয়ে শিবির সমর্থিত প্যানেল ক্যাম্পাসে আন্দোলন করেছে। কেন এই নির্বাচন স্থগিত করা হলো সেটা নিয়ে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছি।
রীতিমতো সংবাদ সম্মেলন করে অভিযোগ করেছে, “নারায়ে তাকবীর” শ্লোগান দেয়ার সময় মাইক কেড়ে নিয়ে তাদের এক নেত্রীকে হেনস্থা করেছে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। সেই চিরায়ত ধর্মীয় ট্রাম্পকার্ড। খালেদা জিয়ার মৃত্যুর দিনেও এই কার্ড খেলতে তারা ভুলে নি।
খ) অরাজনৈতিক ব্যক্তিগন ম্যান্ডেটবিহীন ভাবে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখল করলে কি করতে পারে তার উদাহরণ হয়ে থাকবে আজকের দিনে প্রধান উপদেষ্টার প্রোফাইলে হাস্যজ্বোল ছবি ঝুলানো এবং আসিফ নজরুলের আওয়ামীলীগকে দায়ী করে দেয়া বক্তব্য।
নিজেদের স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য এই দেশবিরোধী গোষ্ঠী রাজনীতিবিদদের পায়ে পড়তেও দ্বিধা করে না, মুখ স্তুতিবাক্যের ফুলঝুড়ি ছুটায়। কিন্তু ঠিকই এদের ভন্ডামি কোন না কোনভাবে প্রকাশ পেয়ে যাবে। প্রকৃতির বিচার মনে হয় এটাকেই বলে!
