মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর পরিচালিত নাটক “৪২০”-এ কিসলু তার বড় ভাই ও দলের নেতা নেতাকে খুন করে পরিকল্পিত বিশ্বাসঘাতকতার মাধ্যমে। সংক্ষেপে ঘটনাটি এভাবে দেখানো হয় কিসলু ক্ষমতা ও নিয়ন্ত্রণের লোভে নেতার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে। নেতার পূর্ণ আস্থা অর্জন করে তাকে একা ও অসহায় অবস্থায় ফাঁদে ফেলে নিজের ভাড়া করা বডিগার্ড নিয়োগ দেয়। সুযোগ বুঝে গোপনে বডিগার্ড গুলি করে তাকে হত্যা করে এবং ঘটনাটিকে ভিন্নভাবে উপস্থাপনের চেষ্টা করে।
পুরো দৃশ্যটি প্রতীকী ও নাটকীয়ভাবে দেখানো হয়েছে; খুনের প্রক্রিয়া সরাসরি বা রক্তাক্তভাবে উপস্থাপন করা হয় না। নাটকের মূল বক্তব্য হলো লোভ ও ক্ষমতার আকাঙ্ক্ষা কীভাবে আপন মানুষকেও শত্রুতে পরিণত করে। কিন্তু বর্তমান সরকার ক্ষমতা দখলের পর থেকেই আয়নাঘর, ইলেকট্রনিক চেয়ার, আশিক চৌধুরী, লকারে স্বর্ণালঙ্কার নাটকের সস্তা গল্প নিয়ে জনগণ হাসাহাসি করে। ধারনা করা হয় মোস্তফা সরয়ার ফারুকী এসব সস্তা লিখেছেন। তার ফ্লপ সিনেমার মত এসব আষাঢ়ে গল্প জনগন গ্রহন করেনি। এবার সেই ফারুকীর গল্প মতে হামলা করা হল ওসমান হাদির উপর।
৪২০ নাটকে যেমন কিসলু তার পলিটিক্যাল বড় ভাইকে নিজের ভাড়া করা বডিগার্ড দিয়ে খুন করায় তেমনি ওসমান হাদিকে গুলি করার ঘটনার সাথেও ফারুকীর গল্পের মিল পাওয়া যায়। আসামি তার নিজ দলের লোক এবং তার বডিগার্ড হিসেবে অস্ত্র নিয়ে ঘোরাফেরা করেন। সুযোগ বুঝে তার ওপর গুলি চালায়। ভাবার বিষয় হলো কে তাকে হাদির বডিগার্ড হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে? তাকে জামিন দিল কে? তাকে সাদিক কায়েমের সাথেও দেখা যেত নিয়মিত। হঠাৎ করে সে কিভাবে হাদির দলে যোগ দিল? চরম আওয়ামী বিরোধী হাদি তো আর কোন কিছু না ভেবেই তাকে বডিগার্ড হিসেবে নিয়োগ দেয়নি।
