সেদিন ছিলো তাঁর জন্মদিন। স্বাধীন দেশে প্রথম জন্মবার্ষিকী তাঁর। ঠিক ওই সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী ঢাকায় সফর করছিলেন। তিনি তাঁর জন্য ভারত থেকে ফল এবং মিষ্টি নিয়ে এসেছিলেন জন্মদিন উপলক্ষে। সেগুলো তাঁর বাড়িতে পাঠানো হয়েছিলো আনুষ্ঠানিকভাবে।
রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতার বাইরে সেদিন জন্মদিন পালিত হচ্ছিলো ভালবাসা আর আন্তরিকতার নরম ছোঁয়াতেও। তাঁর ধানমন্ডির বাড়িতে ভিড় করেছিলো অসংখ্য মানুষ। সবাই তাঁকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাতে এসেছে। ওই ভিড়ে অনেক বাচ্চাকাচ্চারাও ছিলো।
তিনি তাদের দেখে বললেন, “আমার আবার জন্মোৎসব কিরে? আয় আয় তোরা আমার কাছে আয়।“
প্রধানমন্ত্রী নয়, ওদের আপনজন হিসাবে তিনি তাদের কাছে ডাকলেন। বাচ্চারাও কি আর এমন আদরের ডাক উপেক্ষা করতে পারে? কেউ তাঁর হাতে তুলে দিলো পুষ্প স্তবক, কেউ গলায় পরিয়ে দিলো ফুলের মালা।
শুভ জন্মদিন জনমানুষের কবি। আপনি না জন্মালে বাংলাদেশের জন্ম হতো না।
