নিউ ইয়র্ক প্রতিনিধিঃ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাপ্লিমেন্টাল নিউট্রিশন অ্যাসিস্ট্যান্স প্রোগ্রাম (স্ন্যাপ) নিয়ে বহু বছরের সবচেয়ে বড় সংস্কারে অনুমোদন দিয়েছেন। নতুন নিয়মের কেন্দ্রবিন্দু হলো কর্মক্ষম প্রাপ্তবয়স্কদের কাজ বা প্রশিক্ষণে সক্রিয় রাখা এবং সরকারি ব্যয় কমানো।
সমর্থকেরা মনে করছেন, এতে কর্মসংস্থান বাড়বে এবং ফেডারেল খরচ কমবে। তবে সমালোচকেরা বলছেন, কঠোর যোগ্যতার মান লাখো ঝুঁকিপূর্ণ মানুষের খাদ্য নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলতে পারে।
ওয়ান বিগ বিউটিফুল বিল অ্যাক্ট ২০২৫ নামে নতুন আইনটি স্ন্যাপের কাঠামো ও উপকারভোগী নির্বাচনের নিয়ম পুরোপুরি বদলে দিয়েছে। ৪ জুলাই কার্যকর হওয়া আইনটি এখন রাজ্য ও কাউন্টি পর্যায়ে বাস্তবায়নের ধাপে ঢুকেছে।
নতুন নীতি অনুযায়ী, কাজ করতে সক্ষম যেকোনো ব্যক্তিকে প্রতি মাসে অন্তত ৮০ ঘণ্টা কাজ, প্রশিক্ষণ বা অনুমোদিত কমিউনিটি কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার প্রমাণ দিতে হবে। বয়সসীমাও ৪৯ বছর থেকে ৬৪ বছর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। যোগ্যতা বজায় রাখতে হলে এসব শর্ত নিয়মিত পূরণ করতে হবে।
হোয়াইট হাউসের যুক্তি, কঠোর নিয়ম সরকারি সহায়তার ওপর নির্ভরতা কমাবে, শ্রমবাজারে আরও মানুষকে যুক্ত করবে এবং ভুয়া সুবিধাভোগী শনাক্ত করা সহজ হবে। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, কয়েক বছরের মধ্যে এতে বিলিয়ন ডলার সাশ্রয়ও হতে পারে।
কিন্তু মাঠের বাস্তবতা নিয়ে রাজ্য সরকার এবং মানবাধিকার সংস্থাগুলো চিন্তিত। তাদের অভিযোগ, ফেডারেল ব্যয় কমালেও রাজ্য পর্যায়ে প্রশাসনিক চাপ অনেক বাড়বে। কাজের ঘণ্টা যাচাই, প্রশিক্ষণ সুবিধা নিশ্চিত করা এবং নিয়মিত রিপোর্টিং ব্যবস্থাপনা এসবের জন্য অতিরিক্ত জনবল ও বাজেট দরকার হবে, যা বহু এলাকাকে নতুন চাপে ফেলতে পারে। ফলে অনেক কর্মহীন প্রাপ্তবয়স্ক দ্রুত সুবিধা হারানোর ঝুঁকিতে থাকবেন।
নতুন নীতি সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলবে আবল বডিড অ্যাডাল্টস উইদাউট ডিপেনডেন্টস (ABAWD) গ্রুপের ওপর। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজের শর্ত পূরণ করতে না পারলে তাদের স্ন্যাপ সুবিধা বন্ধ হয়ে যাবে। সমালোচকেরা বলছেন, বাস্তব শ্রমবাজারের চ্যালেঞ্জ ও ব্যক্তিগত পরিস্থিতি বিবেচনায় না নিয়েই কঠোর বাধ্যবাধকতা চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
এই পরিবর্তন কেবল খাদ্য সহায়তার নীতি নয়; এটি ট্রাম্প প্রশাসনের বিস্তৃত রাজনৈতিক অবস্থানেরই প্রতিফলন কঠোর কর্মশর্ত, সুবিধা সংকোচন এবং সরকারি সহায়তা সীমিত করার পথ।
আইনটি আদতে কর্মসংস্থান বাড়াবে নাকি কেবল সুবিধা কমানোর প্রভাব তৈরি করবেমার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাপ্লিমেন্টাল নিউট্রিশন অ্যাসিস্ট্যান্স প্রোগ্রাম (স্ন্যাপ) নিয়ে বহু বছরের সবচেয়ে বড় সংস্কারে অনুমোদন দিয়েছেন। নতুন নিয়মের কেন্দ্রবিন্দু হলো কর্মক্ষম প্রাপ্তবয়স্কদের কাজ বা প্রশিক্ষণে সক্রিয় রাখা এবং সরকারি ব্যয় কমানো।
সমর্থকেরা মনে করছেন, এতে কর্মসংস্থান বাড়বে এবং ফেডারেল খরচ কমবে। তবে সমালোচকেরা বলছেন, কঠোর যোগ্যতার মান লাখো ঝুঁকিপূর্ণ মানুষের খাদ্য নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলতে পারে।
ওয়ান বিগ বিউটিফুল বিল অ্যাক্ট ২০২৫ নামে নতুন আইনটি স্ন্যাপের কাঠামো ও উপকারভোগী নির্বাচনের নিয়ম পুরোপুরি বদলে দিয়েছে। ৪ জুলাই কার্যকর হওয়া আইনটি এখন রাজ্য ও কাউন্টি পর্যায়ে বাস্তবায়নের ধাপে ঢুকেছে।
নতুন নীতি অনুযায়ী, কাজ করতে সক্ষম যেকোনো ব্যক্তিকে প্রতি মাসে অন্তত ৮০ ঘণ্টা কাজ, প্রশিক্ষণ বা অনুমোদিত কমিউনিটি কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার প্রমাণ দিতে হবে। বয়সসীমাও ৪৯ বছর থেকে ৬৪ বছর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। যোগ্যতা বজায় রাখতে হলে এসব শর্ত নিয়মিত পূরণ করতে হবে।
হোয়াইট হাউসের যুক্তি, কঠোর নিয়ম সরকারি সহায়তার ওপর নির্ভরতা কমাবে, শ্রমবাজারে আরও মানুষকে যুক্ত করবে এবং ভুয়া সুবিধাভোগী শনাক্ত করা সহজ হবে। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, কয়েক বছরের মধ্যে এতে বিলিয়ন ডলার সাশ্রয়ও হতে পারে।
কিন্তু মাঠের বাস্তবতা নিয়ে রাজ্য সরকার এবং মানবাধিকার সংস্থাগুলো চিন্তিত। তাদের অভিযোগ, ফেডারেল ব্যয় কমালেও রাজ্য পর্যায়ে প্রশাসনিক চাপ অনেক বাড়বে। কাজের ঘণ্টা যাচাই, প্রশিক্ষণ সুবিধা নিশ্চিত করা এবং নিয়মিত রিপোর্টিং ব্যবস্থাপনা এসবের জন্য অতিরিক্ত জনবল ও বাজেট দরকার হবে, যা বহু এলাকাকে নতুন চাপে ফেলতে পারে। ফলে অনেক কর্মহীন প্রাপ্তবয়স্ক দ্রুত সুবিধা হারানোর ঝুঁকিতে থাকবেন।
নতুন নীতি সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলবে আবল বডিড অ্যাডাল্টস উইদাউট ডিপেনডেন্টস (ABAWD) গ্রুপের ওপর। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজের শর্ত পূরণ করতে না পারলে তাদের স্ন্যাপ সুবিধা বন্ধ হয়ে যাবে। সমালোচকেরা বলছেন, বাস্তব শ্রমবাজারের চ্যালেঞ্জ ও ব্যক্তিগত পরিস্থিতি বিবেচনায় না নিয়েই কঠোর বাধ্যবাধকতা চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
এই পরিবর্তন কেবল খাদ্য সহায়তার নীতি নয়; এটি ট্রাম্প প্রশাসনের বিস্তৃত রাজনৈতিক অবস্থানেরই প্রতিফলন কঠোর কর্মশর্ত, সুবিধা সংকোচন এবং সরকারি সহায়তা সীমিত করার পথ।
আইনটি আদতে কর্মসংস্থান বাড়াবে নাকি কেবল সুবিধা কমানোর প্রভাব তৈরি করবে তা নির্ভর করবে রাজ্যগুলোর বাস্তবায়নের দক্ষতা, শ্রমবাজারের অবস্থা এবং ভবিষ্যতের রাজনৈতিক চাপের ওপর। তবে এটা পরিষ্কার, স্ন্যাপ পরিবর্তন নিয়ে দেশজুড়ে বিতর্ক আরও তীব্র আকার নিয়েছে।
তা নির্ভর করবে রাজ্যগুলোর বাস্তবায়নের দক্ষতা, শ্রমবাজারের অবস্থা এবং ভবিষ্যতের রাজনৈতিক চাপের ওপর। তবে এটা পরিষ্কার, স্ন্যাপ পরিবর্তন নিয়ে দেশজুড়ে বিতর্ক আরও তীব্র আকার নিয়েছে।
