ফোরটিন ডেস্ক : ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফেরার পরিকল্পনাকে কেন্দ্র করে ভারতের কলকাতায় অবস্থানরত আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মাঝে হঠাৎ তীব্র তৎপরতা ও তোলপাড় শুরু হয়েছে। কার্যক্রম নিষিদ্ধ ও স্থগিত থাকা সত্ত্বেও গ্রেপ্তার বা মৃত্যুদণ্ডের ঝুঁকি মাথায় নিয়ে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণার পরই কলকাতায় জড়ো হওয়া জ্যেষ্ঠ নেতারা নিয়মিত সাংগঠনিক সভা ও রুদ্ধদ্বার বৈঠক চালিয়ে যাচ্ছেন।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম, জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক সংসদ সদস্য শামীম ওসমানসহ যুবলীগ ও ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় শীর্ষ নেতারা বর্তমানে কলকাতায় অবস্থান করছেন। তাঁরা দেশে দলের কার্যক্রম পুনর্গঠন এবং সম্ভাব্য রাজনৈতিক কর্মসূচি নির্ধারণে প্রায় প্রতিদিনই বৈঠক করছেন। এমন তৎপরতার মুখে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে এই প্রত্যাবর্তন পরিকল্পনা কি সত্যিই বাস্তবায়নের লক্ষ্যে, নাকি আন্তর্জাতিক চাপ সৃষ্টি ও তৃণমূলের মনোবল চাঙ্গা করার কোনো বৃহত্তর রাজনৈতিক কৌশল?
পরিকল্পনা অনুযায়ী, চলতি নভেম্বর মাসের শেষভাগে একটি ভার্চুয়াল আন্তর্জাতিক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে দেশে ফেরার চূড়ান্ত রূপরেখা ও সুনির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা করতে পারেন শেখ হাসিনা। একই সঙ্গে ওই নির্দিষ্ট দিনে দেশের ভেতর আত্মগোপনে ও সক্রিয় থাকা সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের একযোগে রাজপথে নেমে বড় ধরনের মহড়া দেওয়ার কঠোর সাংগঠনিক বার্তা ইতোমধ্যে অভ্যন্তরীণ মাধ্যমে পাঠানো হয়েছে।
মৃত্যুদণ্ড ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানার মতো চূড়ান্ত আইনি ঝুঁকি থাকার পরও দলটির এমন অবস্থান ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা ও হিসাব-নিকাশ শুরু হয়েছে।
তথ্য :যুগান্তর
