নিজস্ব প্রতিবেদক : ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে টানা তিন দিনের শ্রমিক অসন্তোষ, সড়ক অবরোধ, পুলিশের গাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের ঘটনায় কঠোর অবস্থানে নেমেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। শিল্পাঞ্চলে সহিংসতা ও সরকারি কাজে বাধার অভিযোগে বিভিন্ন থানায় ৩টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এসব মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় প্রায় ৪ হাজার ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে।
ইতোমধ্যে পৃথক অভিযানে অন্তত ৪৫ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ, পাশাপাশি সহিংসতার নেপথ্যে জড়িতদের শনাক্ত করতে সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করে ব্যাপক ধরপাকড় চালানো হচ্ছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, টানা তিন দিনের আন্দোলনের সময় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শিল্প এলাকা ও মহাসড়কে ব্যাপক বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। বিক্ষোভের আড়ালে পুলিশের গাড়িতে অগ্নিসংযোগ, ট্রাফিক পুলিশ বক্স ও সাধারণ যানবাহন ভাঙচুর এবং ককটেল বিস্ফোরণের মতো নাশকতামূলক ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ও বিজিবির সঙ্গে আন্দোলনকারীদের দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সাধারণ পোশাকশ্রমিকদের জীবিকার দাবির আড়ালে কোনো বিশেষ স্বার্থান্বেষী মহল সহিংসতা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পরিকল্পনা করেছিল কি না, তা গভীরভাবে তদন্ত করা হচ্ছে।
সহিংসতায় প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করতে সংশ্লিষ্ট এলাকার সড়ক ও বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের সিসিটিভি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। ফুটেজ দেখে সুনির্দিষ্ট প্রমাণের ভিত্তিতে অভিযান জোরদার করায় গ্রেফতারের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।
সুত্রঃ স্টার নিউজ
