নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা : রাজধানীর আব্দুল গনি রোডের বর্তমান সচিবালয় শেরেবাংলা নগরে সরিয়ে নেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৫৫ অনুযায়ী সরকারের নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগ এবং প্রশাসনিক কার্যসম্পাদন সংক্রান্ত বিধিমালা (Rules of Business) অনুযায়ী সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের আইনি বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, গণপূর্ত অধিদপ্তর, স্থাপত্য অধিদপ্তর এবং পরিকল্পনা কমিশন যৌথভাবে প্রশাসনিক অবকাঠামো সংক্রান্ত এই মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নের দায়িত্বে নিয়োজিত।
প্রস্তাবিত এই প্রকল্পের মোট প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৪০৯ কোটি ৪৪ লাখ টাকা, যা চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) অন্তর্ভুক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।
গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা ও পরামর্শ অনুযায়ী প্রকল্পের চূড়ান্ত উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) ও লে-আউট নকশা তৈরির কাজ দ্রুত এগোচ্ছে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০২৬ সালের নভেম্বর থেকে ২০২৯ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে একনেকে অনুমোদন পেয়ে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই নতুন ভবনসমূহের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের প্রাথমিক লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
স্থানান্তরের পর বর্তমান সচিবালয় প্রাঙ্গণে পুরান ঢাকার নিম্ন আদালতসমূহ স্থানান্তরের প্রাথমিক পরিকল্পনা থাকলেও তার চূড়ান্ত আইনি অনুমোদন এখনো সম্পন্ন হয়নি। [DETAIL NEEDED: পুরান ঢাকার নিম্ন আদালত বর্তমান সচিবালয়ে স্থানান্তরের ক্ষেত্রে কতটি আদালত স্থানান্তর হবে এবং তার সুনির্দিষ্ট আইনি গেজেট এখনো প্রকাশ করা হয়নি]।
চলতি মেয়াদে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) আনুষ্ঠানিক অনুমোদন সাপেক্ষে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে এই মেগা প্রকল্পের নির্মাণকাজ শুরু হওয়ার জোর সম্ভাবনা রয়েছে।
নতুন প্রশাসনিক কমপ্লেক্স নির্মিত হলে রাজধানীর যানজট হ্রাসের পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ও সমন্বিত নাগরিক সেবা নিশ্চিত হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।
