রাজধানীর ৩০০ ফিট এলাকার পূর্বাচল এক্সপ্রেসওয়ে (পূর্বের শেখ হাসিনা সরণি, যা পরবর্তীতে ‘৩৬ জুলাই এক্সপ্রেসওয়ে’ নামকরণ করা হয়েছিল)-র নাম পরিবর্তন করে পুনরায় ‘শেখ হাসিনা সরণি’ ঘোষণা করেছে রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন ‘বাংলাদেশ মুক্তির ডাক-৭১’। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একাধিক ভিডিও ও সরেজমিন চিত্রে দেখা যায়, সংগঠনটির নেতাকর্মীরা জয়বাংলা স্লোগান দিয়ে উক্ত এক্সপ্রেসওয়েতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি সম্বলিত নতুন ব্যানার ও নামফলক স্থাপন করেন।
এই ঘটনার প্রেক্ষাপটে ‘বাংলাদেশ মুক্তির ডাক-৭১’-এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান আল-রিয়াদ আদনান অন্তর স্পষ্ট বক্তব্য প্রদান করেছেন। তিনি বলেন, “তথাকথিত জুলাই কোনো ফ্যাক্ট না। ইতিহাস ও উন্নয়নের সত্যকে রাজনৈতিক কারণে মুছে ফেলা যায় না।”
শেখ হাসিনার উদ্ধৃতি তুলে ধরে মুক্তির ডাক-৭১ এর চেয়ারম্যানের বক্তব্য
অনলাইন ও মাঠপর্যায়ের বক্তব্যে বাংলাদেশ মুক্তির ডাক-৭১ এর চেয়ারম্যান আল-রিয়াদ আদনান অন্তর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক বক্তব্যের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন: “আমাদের আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন—‘সুদখোর ইউনুস একটা রাস্তা করতে পারছে? ৩০০ ফিটের এই নান্দনিক সড়ক ১০,৩৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে আমি করে দিছি। অথচ এরা নাম দিয়েছে ৩৬ জুলাই এক্সপ্রেসওয়ে। হিম্মত থাকলে এমন রাস্তা নিজে বানিয়ে নাম দিতো। আমি মুক্তির ডাক-৭১ সংগঠনকে ধন্যবাদ জানাই, তারা সেখানে শেখ হাসিনা সরণির ব্যানার লাগিয়েছে।’”
তিনি আরও যোগ করেন, তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ১০ হাজার ৩৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই নান্দনিক ও দৃষ্টিনন্দন এক্সপ্রেসওয়েটি দেশের যোগাযোগের ক্ষেত্রে এক যুগান্তকারী উন্নয়ন অবকাঠামো। এটি শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বের ফসল, তাই এটিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে অন্য কোনো নামে অভিহিত করা মেনে নেওয়া হবে না।
ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, সংগঠনের শতাধিক নেতাকর্মী মিছিল সহকারে এক্সপ্রেসওয়েতে গিয়ে উপস্থিত হন এবং পূর্বের টাঙানো ব্যানার সরিয়ে ‘শেখ হাসিনা সরণি’ লেখা সংবলিত বড় আকারের ব্যানার ঝুলিয়ে দেন। এ সময় নেতাকর্মীরা জয়বাংলা স্লোগানে রাজপথ মুখরিত করে তোলেন এবং শেখ হাসিনার সার্বিক অবদান ও উন্নয়নকাজের প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করেন।
