ফোরটিন ডেস্ক : শতভাগ ই-নামজারি এবং অনলাইনে ভূমিকর প্রদানের সুযোগ চালুর পরও দেশের সাবরেজিস্ট্রি ও ইউনিয়ন ভূমি কার্যালয়গুলোতে ঘুষ ছাড়া কোনো ফাইল নড়ে না বলে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের বিএনপি সদস্য সুলতানা আহমেদ মাঠপর্যায়ের তহসিলদারদের দুর্নীতি ও ভুয়া দলিলের মাধ্যমে খাসজমি এবং সংখ্যালঘুদের জমি দখলের প্রসঙ্গ তুলে ধরে জড়িত প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান।
আজ রোববার (৩০ আগস্ট, ২০২৬) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনুর দৃষ্টি আকর্ষণ করে দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে জানতে চান তিনি। জবাবে ভূমিমন্ত্রী পরিপত্রের উল্লেখ করে জানান, ইউনিয়ন ভূমি সহকারী ও উপসহকারী কর্মকর্তাদের প্রশাসনিক দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কমিশনারদের অধীন। মাঠপর্যায়ে অনিয়মের অভিযোগ পেলেই জেলা ও বিভাগীয় প্রশাসনের মাধ্যমে তদন্ত করে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
এ সময় ভূমিমন্ত্রী আরও জানান, সাধারণ নাগরিকদের হয়রানি বন্ধে অনলাইনে ‘ভূমিসেবায় অভিযোগ ব্যবস্থাপনা সিস্টেম’ এবং গ্রিভ্যান্স রিড্রেস সিস্টেম (জিআরএস) চালু করা হয়েছে। এ ছাড়া যেকোনো ভুক্তভোগী ১৬১২২ হটলাইন নম্বরে কল করে সরাসরি অভিযোগ জানাতে পারেন। খাসজমি ও সংখ্যালঘুদের জমি দখলের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, জেলা প্রশাসকদের তত্ত্বাবধানে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা সরকারি জমি সংরক্ষণে সার্বক্ষণিক মনিটরিং চালিয়ে যাচ্ছেন।
