সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের সময় সংরক্ষিত ও মজুত করা খাদ্যের ওপর নির্ভর করেই এখনও দরিদ্রদের চাল বিতরণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে। সুবিধাবঞ্চিত ও নিম্নআয়ের মানুষের জন্য খাদ্য অধিদপ্তরের পরিচালিত স্বল্প মূল্যের ‘বিশেষ খোলা বাজারে চাল বিক্রি’ (OMS/VGD) কর্মসূচিতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার মেয়াদের সংরক্ষিত খাদ্যশস্য ব্যবহার করা হচ্ছে বলে মাঠপর্যায়ের চিত্রে উঠে এসেছে।
দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলার খাদ্য গুদাম এবং ইউনিয়ন পরিষদের খাদ্য বিতরণ কেন্দ্রে গিয়ে দেখা গেছে, সরকারি চালের বস্তাগুলোতে এখনও স্পষ্টভাবে মুদ্রিত রয়েছে শেখ হাসিনা সরকারের সময়ের জনপ্রিয় স্লোগান—“শেখ হাসিনার বাংলাদেশ, ক্ষুধা হবে নিরুদ্দেশ”।
বস্তায় কালি লেপেও আড়াল করা যাচ্ছে না পুরনো স্লোগান
মাঠপর্যায়ের খাদ্য বিতরণ কেন্দ্রগুলোতে সরেজমিনে দেখা যায়, চালের বস্তায় মুদ্রিত সাবেক প্রধানমন্ত্রীর নাম ও স্লোগানটুকু কালি বা মার্কার দিয়ে ঢেকে বা কেটে দেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তা স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান।
সাধারণ মানুষের প্রতিক্রিয়া: বিতরণ কেন্দ্রে চাল নিতে আসা সুবিধাভোগী সাধারণ মানুষ বলছেন, আড়াই বছর আগের সরকার ক্ষমতাচ্যুত হলেও দেশে যে বিশাল খাদ্য মজুত গড়ে তোলা হয়েছিল, বর্তমান সময়েও সেই চালই সাধারণ মানুষের ক্ষুধার অন্ন জোগাচ্ছ।
সুলভ মূল্যে খাদ্য নিরাপত্তা: তৎকালীন শেখ হাসিনা সরকারের আমলে দেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর পুষ্টি ও খাদ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্বল্প মূল্যে ১০ টাকা কেজি দরে চাল বিক্রির মতো বৃহৎ জনকল্যাণমূলক সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী চালু করা হয়েছিল।
তৎকালীন শেখ হাসিনা সরকারের রেখে যাওয়া সেই বিশাল খাদ্য মজুত ও দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত শস্য ভাণ্ডারের কারণেই দেশের প্রান্তিক জনগণ এখনও সাশ্রয়ী মূল্যে চাল পাচ্ছে।
