ফোরটিন ডেস্ক : টেকনোক্র্যাট কোটায় দ্বৈত নাগরিকত্বধারীর পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ সংবিধানসম্মত হয়নি বলে দাবি করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। এ বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করার পাশাপাশি সংবাদকর্মীদের সাথে প্রতিমন্ত্রীর সাম্প্রতিক আচরণের তীব্র সমালোচনা করেছে সংস্থাটি।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে টিআইবি জানায়, সংবিধানের ৫৬(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদ সদস্য নন এমন কোনো ব্যক্তিকে মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগের ক্ষেত্রে তাঁকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার যোগ্য হতে হবে। কিন্তু ৬৬(২)(গ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বিদেশি রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব অর্জনকারী ব্যক্তি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার অযোগ্য। এ ছাড়া দ্বৈত নাগরিকত্বের ক্ষেত্রে বিদেশি নাগরিকত্ব ত্যাগের বাধ্যবাধকতাও সুস্পষ্ট। ফলে এই নিয়োগকে সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ও প্রশ্নবিদ্ধ বলে মন্তব্য করেন টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান।
সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে প্রতিমন্ত্রীর আচরণ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে টিআইবি একে ‘বার্তাবাহককে ঘায়েল করার সংস্কৃতি’ হিসেবে অভিহিত করেছে। তবে এই বিতর্কের বিপরীতে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জানান, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির ইতিমধ্যেই তাঁর ব্রিটিশ নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন। ফলে তাঁর শপথ গ্রহণে আইনের কোনো ব্যত্যয় ঘটেনি এবং সরকার সংবিধান মেনেই দেশ পরিচালনা করছে।
