নিজস্ব প্রতিনিধি: বগুড়ার শেরপুরে একটি রেস্তোরাঁয় জন্মদিনের অনুষ্ঠান থেকে ‘গরিবের ডাক্তার’ হিসেবে সুপরিচিত ডা. সামির হোসেন মিশুকে অবরুদ্ধ করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাতে স্থানীয় যুবদলের নেতাকর্মীদের উপস্থিতি ও উত্তেজনাকর পরিস্থিতির (মব) মুখে পুলিশ তাঁকে রেস্তোরাঁ থেকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারকৃত ডা. সামির হোসেন মিশু বগুড়া মহানগরীর জলেশ্বরীতলা এলাকার মৃত ডা. সাফদার হোসেনের ছেলে। তিনি বগুড়া সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ছিলেন। এ ছাড়া স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ) এবং বঙ্গবন্ধু পরিষদের বগুড়া শাখার সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি বাগেরহাটে সরকারি ম্যাটসের ইন্সট্রাক্টর হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।
স্থানীয় সূত্র ও স্বজনরা জানান, ক্রীড়ামোদি ও বিনোদন প্রিয় ডা. মিশু দলমত নির্বিশেষে সাধারণ ও অসচ্ছল মানুষকে বিনামূল্যে দীর্ঘকাল চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছিলেন। এই মানবিক কাজের জন্য পুরো বগুড়াজুড়ে তিনি ‘গরিবের ডাক্তার’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তাঁকে বগুড়া থেকে বাগেরহাটে বদলি করা হয়। পরবর্তীতে ২০২৫ সালের ২২ অক্টোবর বগুড়া সদর থানায় তাঁর বিরুদ্ধে একটি নাশকতার মামলা দায়ের করা হয়।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মঙ্গলবার রাতে বগুড়ার শেরপুর উপজেলার রনবীরবালা ঘাটপাড় এলাকার একটি রেস্তোরাঁয় এক সহকর্মী চিকিৎসকের জন্মদিনের অনুষ্ঠানে অংশ নেন ডা. মিশু। এ সময় প্রতিপক্ষ চিকিৎসকদের ইন্ধনে স্থানীয় যুবদলের নেতাকর্মীরা সেখানে জড়ো হন এবং তাঁকে গ্রেপ্তারের জন্য শেরপুর থানায় খবর দেন। রাত সাড়ে ১১টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উত্তেজিত জনতার হাত ও ‘মব’ থেকে তাঁকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত নিজেদের গাড়িতে তুলে নেয়।
শেরপুর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) জয়নুল আবেদীন জানান, নাশকতার মামলায় ওয়ারেন্ট থাকায় রাতেই তাঁকে বগুড়া সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
বগুড়া সদর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) মাহফুজ আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বুধবার দুপুরে ডা. সামির হোসেন মিশুকে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছ
