কুইন্সের জ্যাকসন হাইটস্ এলাকায় অনুষ্ঠিতব্য এই প্যারেডে অংশ নিয়েছে বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ব্যবসায়ী সংগঠন। লাল-সবুজের পতাকায় সজ্জিত শোভাযাত্রা, ব্যানার, ফেস্টুন ও মনোমুগ্ধকর ফ্লোটে মুখরিত হয়েছে পুরো এলাকা।

প্যারেডের অন্যতম আকর্ষণ হিসেবে থাকছে দেশীয় সংগীত, ঢাক-ঢোলের তালে ঐতিহ্যবাহী নৃত্য পরিবেশনা এবং প্রবাসী শিল্পীদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। একইসাথে বাংলাদেশি খাবারের স্টল, যেখানে ফুচকা, বিরিয়ানি, মিষ্টান্নসহ নানা জনপ্রিয় খাবার পরিবেশন করা হচ্ছে ।

আয়োজকরা জানান, এই প্যারেডের মূল উদ্দেশ্য হলো বাংলাদেশের সংস্কৃতি, ইতিহাস ও ঐতিহ্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তুলে ধরা এবং নতুন প্রজন্মের মধ্যে দেশপ্রেম জাগ্রত করা। পাশাপাশি প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে ঐক্য, সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করাও এ আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্য।
বাংলাদেশ ডে প্যারেডে গ্রান্ড মার্শাল ভূষিত হন এম আজিজ ও এম এম শাহিন। আহবায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন গিয়াস আহমেদ এবং চেয়ারপারসন এটর্ণী মঈন চৌধুরী, সদস্য সচিব ছিলেন ফাহাদ সোলায়মান।
উল্লেখ্য, নিউ ইয়র্ক সিটির অন্যতম বৃহৎ কমিউনিটি ইভেন্টে পরিণত হওয়া এই বাংলাদেশ ডে প্যারেডে প্রতিবছর হাজারো মানুষের সমাগম ঘটে। স্থানীয় প্রশাসন ও বিভিন্ন কমিউনিটির প্রতিনিধিরাও এতে অংশগ্রহণ করেন, যা নিউইয়র্কের বহুসাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যকে আরও সমৃদ্ধ করে।
সবশেষে বলা যায়, “বাংলাদেশ ডে প্যারেড ২০২৬” শুধু একটি উৎসব নয়—এটি প্রবাসে বসবাসরত বাংলাদেশিদের হৃদয়ের আবেগ, শিকড়ের টান এবং জাতীয় পরিচয়ের এক উজ্জ্বল প্রতিফলন।
