নিজস্ব প্রতিনিধি : বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড নতুন এক উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের ক্রিকেট ইতিহাসে অবদান রাখা অধিনায়কদের সম্মানিত করেছে। রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে পুরুষ ও নারী ক্রিকেট মিলিয়ে মোট ৩২ জন সাবেক ও বর্তমান অধিনায়কের হাতে তুলে দেওয়া হয় ‘ক্যাপ্টেনস কার্ড’।
বিসিবির অ্যাডহক কমিটির সভাপতি তামিম ইকবালের উদ্যোগে চালু হওয়া এই কার্ড বাংলাদেশের ক্রিকেটে একেবারেই নতুন সংযোজন। ১৯৭৭ সাল থেকে জাতীয় দলকে নেতৃত্ব দেওয়া সব অধিনায়কই এ সম্মাননার আওতায় এসেছেন।
অনুষ্ঠানে বেশিরভাগ অধিনায়ক উপস্থিত থাকলেও সাকিব আল হাসান, মাশরাফি বিন মর্তুজা, নাঈমুর রহমান দুর্জয়, খালেদ মাসুদ পাইলট ও আমিনুল ইসলাম বুলবুলসহ কয়েকজন অনুপস্থিত ছিলেন। তবে তাদের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে যোগাযোগ করা হয়েছে এবং সুবিধাজনক সময়ে কার্ড সংগ্রহের অনুরোধ জানানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন তামিম।
তামিম ইকবাল বলেছেন, ‘ক্যাপ্টেনস কার্ড’ মূলত একটি বিশেষ পরিচয়পত্র, যা সাবেক ও বর্তমান অধিনায়কদের জন্য আজীবন সম্মাননা ও সুবিধার প্রতীক হিসেবে কাজ করবে। এই কার্ডের মাধ্যমে অধিনায়করা আইসিসি ও এসিসি ইভেন্ট, দ্বিপাক্ষিক সিরিজ এবং বিপিএলসহ যেকোনো ক্রিকেট আয়োজনের সময় স্টেডিয়ামে প্রবেশের সুযোগ পাবেন।
এছাড়া কার্ডধারীরা হেলথ ইন্স্যুরেন্স সুবিধা পাবেন এবং অসুস্থ হলে বিসিবির মেডিকেল টিম তাদের চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় অ্যাপয়েন্টমেন্টের ব্যবস্থা করবে। স্টেডিয়ামে গাড়ি পার্কিংয়ের ক্ষেত্রেও তারা ভিআইপি পর্যায়ের সুবিধা উপভোগ করবেন।
অথচ যাদের ছাড়া বাংলাদেশ ক্রিকেট অসম্পূর্ণ সেই কিংবদন্তি ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান ও মাশরাফি বিন মর্তুজার নাম নেই। নেই নাইমুর রহমান দুর্জয়। অথচ বাংলাদেশের ক্রিকেট যাদের ছাড়া কল্পনাই করা যায় না। সাকিব-মাশরাফি সম্পর্কে যাই বলি না কেন সেটা অসম্পূর্ণই থেকে যাবে। তারা বাংলাদেশ ক্রিকেটকে যে উচ্চতায় নিয়ে গেছেন সেটা কল্পনাও করা যাবে না। অথচ যাদের নিয়ে এই আয়োজন তাদের ভূমিকা কিংবা অবদান বলতে গেলে গুগল ঘেঁটে বলতে হবে। তাদের দলীয় কিংবা ব্যক্তিগত অর্জন সম্পর্কে বলার মত তেমন কিছুই নেই। বেশিরভাগই সাকিব-মাশরাফির কারনেই পরিচিত ও তাদের অর্জনেও সাকিব-মাশরাফির ভূমিকা রয়েছে।
