ভ্যাপসা গরমের সাথে পাল্লা দিয়ে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে অসহনীয় লোডশেডিং। রাজধানী ঢাকা থেকে শুরু করে দেশের প্রত্যন্ত গ্রাম—কোথাও মিলছে না স্বস্তি। দিন কিংবা রাত, ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় জনজীবন এখন ওষ্ঠাগত। বিশেষ করে শিশু, বৃদ্ধ এবং রোগীদের অবস্থা এখন সবচেয়ে শোচনীয়। লোডশেডিংয়ের এই মাত্রাতিরিক্ত বৃদ্ধিতে সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে।
জ্বালানি সংকটের কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় চাহিদার তুলনায় সরবরাহে বিশাল ঘাটতি তৈরি হয়েছে। বিদ্যুৎ বিভাগের মতে, চাহিদার তুলনায় গ্যাসের সরবরাহ কম থাকায় এবং বেশ কিছু পাওয়ার প্ল্যান্ট বন্ধ থাকায় এই সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে। গ্রামাঞ্চলের পরিস্থিতি আরও নাজুক; অনেক এলাকায় দিনে ১০-১২ ঘণ্টাও বিদ্যুৎ থাকছে না। এতে কলকারখানা ও ক্ষুদ্র শিল্পে উৎপাদন কমে যাওয়ায় দেশের অর্থনীতিতেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে।
সামনে পরীক্ষার মৌসুমে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় চরম ব্যাঘাত ঘটছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, অন্তত রাতের বেলা যেন নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ নিশ্চিত করা হয়, যাতে একটু শান্তির ঘুম সম্ভব হয়। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে আরও কতদিন সময় লাগবে, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো আশ্বাস মিলছে না সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতেও নাগরিকরা তাদের চরম দুর্ভোগের কথা জানিয়ে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন।
