নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের ১৮ মাসের চরম অব্যবস্থাপনা ও হঠকারী সিদ্ধান্তের চড়া মাশুল গুনতে হচ্ছে বর্তমান নির্বাচিত সরকারকে। রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিটি স্তরে শিশুর টিকাদান থেকে শুরু করে জ্বালানি খাত সর্বত্রই এখন বিশৃঙ্খলার কঙ্কাল বেরিয়ে আসছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, স্বয়ংক্রিয় প্রশাসনিক সিস্টেমকে অযথা হস্তক্ষেপ করে ভেঙে দিয়ে যাওয়াই ছিল এই অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসনের সবচেয়ে বড় ‘সাফল্য’।
স্বাস্থ্য খাতে ইউনূস সরকারের অদক্ষতার মর্মান্তিক পরিণতি এখন হামের মহামারি। অপারেশনাল প্ল্যান বাতিল করায় দেশজুড়ে জীবনরক্ষাকারী টিকার তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে, যার ফলে হাসপাতালগুলোতে শিশুদের লাশের মিছিল দীর্ঘ হচ্ছে।
শুধু হাম নয়, পোলিও ও যক্ষ্মার মতো মৌলিক টিকার অভাবে দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম এখন চরম ঝুঁকির মুখে, অথচ এই সংকটের বীজ বপন করা হয়েছিল বিগত ১৮ মাসেই।
জ্বালানি খাতেও রেখে যাওয়া হয়েছে এক ধ্বংসস্তূপ। গত জানুয়ারিতে এলপিজি গ্যাসের কৃত্রিম সংকটে সাধারণ মানুষকে ১৭০০ থেকে ২৫০০ টাকা পর্যন্ত গুনতে হয়েছে।
সেই বিশৃঙ্খলা কাটিয়ে ওঠার আগেই এখন জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট বর্তমান সরকারকে বেকায়দায় ফেলেছে। শিল্প-কারখানা থেকে শুরু করে গণপরিবহন জ্বালানি আর বিদ্যুতের অভাবে স্থবির হয়ে পড়েছে দেশের উৎপাদনশীল খাত।
অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে ইউনূস সরকারের নেওয়া ৩ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকার ঋণের বিশাল বোঝা এখন বর্তমান সরকারের প্রধান মাথাব্যথা। কৃচ্ছ্রসাধনের কথা বলে বৈদেশিক ঋণ ১০ বিলিয়ন ডলার বাড়িয়ে দিয়ে গেছে তারা।
এছাড়া কোনো পরিকল্পনা ছাড়াই পাঁচটি ব্যাংক একীভূত করার আত্মঘাতী সিদ্ধান্তে সাধারণ আমানতকারীরা পথে বসেছেন। ব্যবসায়ীদের হয়রানি আর ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করার ফলে বিনিয়োগ এখন তলানিতে
সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন
