বঙ্গবন্ধুর নামের সঙ্গে অঙ্গাঅঙ্গিভাবে জড়িয়ে আছে বাংলাদেশের অস্তিত্ব। কেউ কেউ বলেন বঙ্গবন্ধু মানেই বাংলাদেশ। কারণ বঙ্গবন্ধু হাজার বছর ধরে পথচলা এই জাতিকে আত্মপরিচয়ের নতুন ঠিকানা- বাংলাদেশ উপহার দিয়েছিলেন। তাঁর সংগ্রাম ও দূরদর্শী নেতৃত্বে ১৯৭১ সালে ৩০ লক্ষ শহীদ আর আড়াই লক্ষ মা বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে আমরা স্বাধীনতার রক্তিম লাল সূর্য ছিনিয়ে এনেছিলাম।
২০২৪ সালের বাংলাদেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাম বাংলাদেশের মানুষের মন থেকে চিরতরে মুছে ফেলার উদ্দেশ্যে অপরিণাদর্শী ষড়যন্ত্রে মেতেছিলো ড. ইউনুসের নেতৃত্বাধীন সরকার। রাজনীতি ও সংস্কারের নামে বাংলাদেশের ভিত্তিমূলে আঘাতের গভীর ষড়যন্ত্রে মেতেছিলো তারা। সে ষড়যন্ত্রের ডালপালা প্রবাসেও সম্প্রসারিত ছিল। যতই দিন গড়াচ্ছিল, ততোই স্পষ্ট হচ্ছিল চেনা মানুষের অচেনা রূপ। যাদেরকে মনে করা হতো প্রগতির পক্ষে শক্তিশালী যোদ্ধা, তাদের নীরবতা, আপোকামীতা আর সংকীর্ণ ব্যক্তিস্বার্থ বঙ্গবন্ধু ভক্তদের হতাশ করলেও, হতাশ করেনি ‘একাত্তরের প্রহরী’।
বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য উত্তরসূরি হিসেবে, বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে থাকা স্বাধীন বাংলাদেশের গর্বিত নাগরিকদের পক্ষে বীর মুক্তিযোদ্ধা, একুশে পদকপ্রাপ্ত লেখক ও আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন বিজ্ঞানী ড. নুরুন নবীর নেতৃত্বে আয়োজন করেছিল ‘বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বইমেলা’।
গতবছরের ধারাবাহিকতায় এ বছরও ১৫,১৬ ও ১৭ মে নিউ ইয়র্কে অনুষ্ঠিত হচ্ছে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বইমেলা।
এবারের বইমেলার আহ্বায়ক হিসেবে থাকছেন সব্যসাচী শিল্পী ও বীর মুক্তিযোদ্ধা তাজুল ইমাম। এবারের মেলার পরিসর আরও বড়, আরও পরিকল্পিত। বাংলাদেশ সহ সারা বিশ্বের লেখক, প্রকাশক, শিল্পী, সাহিত্যিক ও বইপ্রেমীদের আগমনে মুখরিত হবে নিউ ইয়র্ক। প্রকাশিত হবে নতুন বই। থাকবে চিত্রপ্রদর্শনী, চিত্রাঙ্কন, কবিতা উৎসব, সাহিত্য বিষয়ক সেমিনার সহ বহুমাত্রিক আয়োজন।
