সুহৃদ রায়হান, ঢাবি ছাত্রদল
সকল শিবির, এক্স, অর্ধ, প্রক্সি, ডিবেটার শিবির, অল্পশিক্ষিত শিবির, এনসিপি ছাত্রশক্তি শিবির, সাংবাদিক শিবির সবাই পাভেলকে মারার জাস্টিফিকেশন হিসেবে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের দীর্ঘ সময় হা ম লা র ফুটেজ, জুলুম আর মাইর খাওয়ার ভিডিও সামনে নিয়ে আসছে। মাশাআল্লাহ। আমরা জানি, তোমরাই আমাদের দীর্ঘ সংগ্রামের ক্রেডিট দিবা।
পুলিশ হত্যার বিচার হবে শুনে, এরাই বলছিল সব নাকি ছাত্রদল করছে। হায়হায় জুলাই পল্টিবাজ।
পাভেল ইস্যুতে ছাত্রদলের উপর হওয়া সকল অন্যায়ের ফুটেজ দেখায়া বলতেছে, ভুলে গেলেন সব? মানে, ট্যাগ দিয়ে আও য়া মী লীগ পি টা নো জায়েজ! যেন এই কাজ ছাত্রদলের করা উচিত ছিল। মূর্খের আব্বাজান, আমরা এই রাজনীতি করব না। আমাদের রুল অব ল নীতি সবসময় অক্ষত থাকবে। জাস্টিস সার্ভ করতে সকল সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।
আমি শক্তি, শিবির গংকে প্রশ্ন করতে চাই, সবচেয়ে বেশি নির্যাতিত, গু ম খু নে র সংখ্যা থাকা ছাত্রদল, ক্যাম্পাসে বারংবার হা ম লা হওয়া ছাত্রদল, জুলাই -এ সর্বোচ্চ ত্যাগী ছাত্রদল, দেড় বছরে সবচেয়ে নোংরা স্লোগান শোনা ছাত্রদল, গুজবে ট্রমাটাইজড ছাত্রদল, গনতন্ত্রের সংগ্রামে সর্বাগ্রে থাকা ছাত্রদল, হাজারখানেক মামলা কাঁধে রাখা ছাত্রদল কী কোনকিছুর প্রতিশোধ নিয়েছে? কোথাও হুমকি পর্যন্ত দিয়েছে? না।
ছাত্রদল পারলে সকল মববাজদের বিতাড়িত করতে পারতো। সাধারণের মুখোশ উন্মোচন করে তোফাজ্জল হত্যার বিচার করতে পারত। মবের ফয়সালা করতে পারতো। সকল অন্যায় স্লোগান, তারেক রহমানকে গালি দেওয়া, জিয়াউর রহমানের পোস্টার ছেঁড়া সবকিছুর কাফফারা আদায় করতে পারতো। করেছে? না।
তাহলে তারা কী করেছে? এলেকশনের পর তারা মিষ্টি বিতরণ করেছে। কোন কোন ছাত্রদল নেতা শিক্ষার্থীদের গোলাপ ফুল উপহার দিয়েছে। ইফতারে সামিল হয়েছে। দোয়া মোনাজাত করেছে।
আর, এই বৃহত্তর জামায়াতে ইসলাম, জুলাই বেঁচে জুলাই সমিতি করা সংগঠনের নেতাকর্মীরা কী করেছে? সেসব আপনারা দেখতেছেন। আরও দেখবেন। এদের টাকাপয়সা হইছে। আগে শিবিরের গুপ্ত সাথী থেকে এখন জুলাই নেতা, এনসিপি নেতা হইছে। আইডেন্টিটি পরিবর্তন হইছে। বাইক হইছে। আইফোন কিনছে। বিয়েসাদী করছে। গুলশানে ডেট করার মতো নারী জুটছে। এখন একটা জিনিস বাকি আছে। সুন্নতে খৎনা। এটা হলেই ষোলকলা পূর্ণ।
