ইউনুসের প্রোপাগান্ডা মাউথপিস শফিকুল আলম ফেসবুক স্ট্যাটাসে ইউনুসের ভিভিআইপি ঘোষণা করার প্রজ্ঞাপনকে ডিফেন্ড করার চেষ্টা করেছে। সে বলার চেষ্টা করছে, এই প্রজ্ঞাপন জারি করে অর্থাৎ নিজেকে এক বছরের জন্য ভিভিআইপি ঘোষণা করে ইউনুস আইন বহির্ভূত কিছু করেনি। প্রমাণ হিসেবে পোস্টের সাথে ২০০১ সালের তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টা লতিফুর রহমানকে এক বছরের জন্য ভিভিআইপি ঘোষণার প্রজ্ঞাপনের ছবি যুক্ত করেছে।
কিন্তু প্যাথলজিকাল লায়ার শফিক এখানেও কূটচালের আশ্রয় নিয়েছে। লতিফুর রহমানকে এক বছরের জন্য ভিভিআইপি ঘোষণা করা হয়েছিলো এসএসএফ অর্ডিন্যান্স ১৯৮৬ এর ২ এর ঘ ধারা অনুযায়ী, যেখানে প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ও নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টাকে ১ বছরের জন্য ভিভিআইপি ঘোষণার বিধান ছিলো।
এসএসএফ অর্ডিন্যান্সের এই ধারাটি ২০০৬ সালে ২৯ অক্টোবর সংশোধন করে বলা হয় রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও সংসদের বিরোধীদলীয় নেত্রী স্ব স্ব পদে কর্মাবসানের দিন থেকে তিন মাসের জন্য ভিভিআইপি হিসেবে ঘোষিত হবেন। অর্থাৎ লতিফুর রহমানকে যে ধারা অনুযায়ী ভিভিআইপি ঘোষণা করা হয়েছিল সেটা ২০০৬ সালেই পরিবর্তিত হয়েছে। তাই উদাহরণ ইউনুসের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য না।
মজার ব্যাপার হলো, ইউনুস নিজেকে ভিভিআইপি হিসেবে ঘোষণার ক্ষেত্রে এই ধারাটাও ব্যবহার করে নাই। সে ব্যবহার করেছে এসএসএফ আইন ২০২১ এর ২ এর ক ধারা। যেখানে প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতি ছাড়াও সরকারের পক্ষ থেকে কোন ব্যক্তিকে ভিভিআইপি ঘোষণা করার সুযোগ রাখা হয়েছে। এই ধারাটা রাখা হয়েছে মূলত বিদেশী অতিথিদের এসএসএফ কর্তৃক নিরাপত্তা প্রদানের সুযোগ তৈরির জন্য। ইউনুস এই ধারার অপব্যবহার করেই নিজেকে ভিভিআইপি ঘোষনা করেছে। অবশ্য সে তো মনেপ্রাণে বিদেশীই!
অর্থাৎ শফিক ধান ভানতে শিবের গীত গেয়ে তার বস ইউনুসের লুঙ্গি বাঁচানোর চেষ্টা করছে। শফিক ভেবেছে স্ট্যাটাসটা যেহেতু ইংরেজীতে দিয়েছে, সেটাকে ঠিক বলেই অনেকে ধরে নিবে।
কিন্তু যে প্রশ্নটার জবাব শফিক দেয়নি সেটা হলো,
কেন এই প্রজ্ঞাপন সরকারি ওয়েবসাইট তথা বিডিপ্রেসের ওয়েবসাইটে দেয়া হয়নি ?
কেন প্রজ্ঞাপন মাত্র এক কপিই প্রিণ্ট করা হলো?
এই ঢাক ঢাক গুড় গুড় কেন?
শফিকের কাছে এই প্রশ্নের কোন জবাব কি আছে? ?
ইউনুসের ‘লুঙ্গি’ বাঁচাতে শফিকের শিবের গীত
Comments
Next Article নিউ ইয়র্কে কি করছেন জায়েদ খান?
