বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচন বর্জনের জন্য দলীয় নেতাকর্মী, সমর্থক ও দেশবাসীদের আহ্বান জানিয়েছে। দলটি এই নির্বাচনকে ‘প্রহসন’, ‘জাতির সঙ্গে তামাশা’ এবং ‘গণতন্ত্র হত্যা’ আখ্যা দিয়ে ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে।
রোববার (৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) গণমাধ্যমে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আওয়ামী লীগ অভিযোগ করে, বিশাল জনগোষ্ঠীকে বাদ দিয়ে রাষ্ট্রীয় কোষাগারের অর্থ অপচয়, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অপব্যবহার এবং জনগণের উপর দমন-পীড়ন চালিয়ে এই ‘একপেশে নির্বাচন’ আয়োজিত হচ্ছে। এতে জনগণের মতামত প্রতিফলিত হওয়ার কোনো সুযোগ নেই শুধু ধোঁকা ও প্রতারণা।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রবাসী ও কারাবন্দীরা প্রায় সবাই ভোট বর্জন করেছেন। ভোটাধিকার হরণ করে আয়োজিত এই নির্বাচন দেশকে গভীর সংকটে ঠেলে দেবে। ‘একজন দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে আমরা কেউই এতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে দেশকে খাদের কিনারায় ঠেলতে পারি না। ভোট বর্জন করে নিজেকে দায়মুক্ত রাখুন,’ আহ্বান জানানো হয়েছে।
দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বানে বলা হয়, ‘শঠতা ও কপটতাপূর্ণ এই প্রহসনে ভোট বর্জনের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ জানান। আপনার এই প্রতিবাদই আগামীর বাংলাদেশকে পথ দেখাবে এবং সংকট থেকে মুক্ত করবে।’
