নাসরীন সুলতানা
সহযোগী অধ্যাপক
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
২০১৬ সালের কথা। আমি তখন এডমন্টনে। একদিন দুপুরে আমার ইমেইল ইনবক্সে ইমেইল এলো যে তোমার ইমেইল লগইন করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এটা যদি তুমি হও তবে ইগনোর করো। আর যদি তুমি না হও তবে ব্যবস্থা গ্রহণ করো। আমি এডমন্টনে বসে দেখলাম ঢাকার মোহাম্মদপুর বসে কেউ আমার ইমেইল চেক করার চেষ্টা করেছে।
আমি তখন ঢাকায় ফোন দিয়ে একজনকে জিজ্ঞেস করলাম সে আমার ইমেইলে লগইন করার চেষ্টা করেছিল কিনা। বস্তুত আমার ইমেইল সে খুলে দিয়েছিল এবং আমি পাসওয়ার্ড প্রথমে যা ছিল সেটাই রেখেছিলাম।
আমার ল্যাপটপ থেকে ফেসবুকে লগইন করতে গেলে মোবাইলে নোটিফিকেশন আসে অন্য ডিভাইস খোে লগইন করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এমনকি, মূল ডিভাইস থেকে login allow করতে হয়। আর ভেরিফাইড আইডি হলে তো সেটি প্রটেক্ট করার দায় কোম্পানির আরো বেশি থাকে।
কানাডাতে একটা ভালো নিয়ম চালু আছে। কোন ছাত্র যদি শিক্ষককে ইমেইল করে যে সে অসুস্থ এবং পরীক্ষার জন্য এক্সটেনশন লাগবে তবে শিক্ষক ঘটনাটা মিথ্যা জেনেও ছাত্রের কথা বিশ্বাস করে এবং তাকে সরি বলে এক্সটেনশন এলাও করে। একইভাবে, আমীর যেহেতু বলেছেন তাঁর আইডি হ্যাক হয়েছে, তাঁর আইডি হ্যাক হওয়াকেই মেনে নেওয়া উচিৎ।
সেই সাথে নারীর নিরাপত্তা এবং স্বাধীনতার প্রশ্নে জামাতের আমীরের যে সাক্ষাৎকার আল জাজিরাতে প্রচার করা হয়েছে সে বিষয়টিরও সুরাহা হওয়া উচিৎ। শুধু ভাষা শোভন হলেই রেস্পেক্ট দেখানো হয় না। বরং দরকার প্রকৃতপক্ষেই নারীর মর্যাদার প্রশ্নে তাদের বক্তব্য স্পস্ট করা।
